Showing posts with label JSC. Show all posts
Showing posts with label JSC. Show all posts

Sunday, 17 May 2020

Expressions relating to physical & mental condition (শারীরিক এবং মানসিক অবস্থা প্রকাশক অভিব্যক্তি)


উৎস: MASTER MINI-BOOK by Md. Jahangir Alam 
1. I feel giddy (গিডি)/dizzy. (আমার মাথা ঘুরছে)
2. I've a bad/splitting headache (হেডেক)
(আমার খুব মাথা ধরেছে/খুব/তীব্র মাথাব্যথা করছে)
3. I've caught (a) cold. (আমার ঠাণ্ডা/সর্দি লেগেছে) 
4. I've got a slight fever and a slight headache. 
(আমার হালকা সর্দি-জ্বর হয়েছে)
5. I feel feverish today. (আজকে আনি জ্বরজ্বর বোধ করছি/আমার জ্বরজ্বর লাগছে) 
6. He's had severe attack of fever.
(তার প্রচণ্ড জ্বর এসেছে/হয়েছে) 
7. He is laid up with fever. (সে জ্বরে শয্যাগত) 
8. The fever is still on him./He's still running temperature. (তার গায়ে এখনো জ্বর আছে/তার জ্বর এখনো ছাড়েনি/নামেনি)
9. His fever is off. (তার জ্বর ছেড়েছে/নেমে গেছে)
10. I feel out of sorts (unwell/slightly ill) today. 
(আজ আমার গা ম্যাজ-ম্যাজ করছে/আমি অসুস্থতা বোধ করছি)
11. I am under the weather. (আমি অসুস্থ) 
12. I feel drowsy (ড্রাউজি)/sleepy. 
(আমার ঘুমঘুম/ঝিমানো ঝিমানো ভাব হচ্ছে)
13. I feel hungry/thirsty. (আমার ক্ষুধা/তৃষ্ণা লেগেছে) 
14. I feel a little chilly. (আমার একটু শীতশীত লাগছে)
15. I feel nausea. (আমার বমিবমি লাগছে)
16. I've a gripping pain in the stomach. 
(আমার পেট কামড়াচ্ছে)
17. His bowels are out of order. 
(তার পেটের অসুখ হয়েছে)
18. I'm suffering from indigestion.
(আমি বদহজমে ভুগছি)
I'm suffering from rheumatism. (আমি বাতে ভুগছি)
19. I've/he's had four loose motions.
(আমার/তার চারবার পাতলা পায়খানা হয়েছে) 
20. He's got an inflammation of the eyes./ He's suffering from opthalmia/conjunctivitis. 
(তার চোখ উঠেছে)
21. There's pain all over my body. 
(আমার সারা শরীরে ব্যথা)
22. I'm so-so. 
(আমি আছি কোনোরকম/ভালো-মন্দ কোনোটাই নয়)
23. I'm pretty well. (আমি বেশ ভালোই আছি)
24. I'm as before. (আগের মতই আছি)
25. I'm/I feel worse (ওয়াস/চ).
(আগের চেয়ে খারাপ আছি)
26. I'm/I'm feeling better. (আগের চেয়ে ভালো আছি)
27. I'm better/comparatively well today.
(আজ অনেকটা ভালো আছি)
28. I feel much better today.
(আমি আজ বেশ ভালো বোধ করছি)
29. I feel somewhat better.
(আমি কিছুটা ভালো বোধ করছি) 
30. Today I feel depressed./I'm not in my humour today. (আজ আমার মন ভালো নেই)
31. He's in a good humour. (সে বেশ ফূর্তিতে আছে)
32 He is in high spirits. (সে খোশমেজাজে আছে)
33. He is in a temper/out of his temper today
(আজ তার মেজাজ গরম)
34. He is off/out of his head. (তার মাথা খারাপ হয়েছে) 
35. You look rather gloomy. 
(তোমার মনটা ভার মনে হচ্ছে/তোমাকে একটু বিষন্ন লাগছে)
36. He is out of danger/out of woods.
(সে এখন বিপদমুক্ত) 
জনস্বার্থে : মাস্টার জাহাঙ্গীর আলম

Wednesday, 13 May 2020

Jsc online exam for preparation. Time 30 minute


Tuesday, 5 May 2020

এক নজরে জ্যামিতির সকল সংজ্ঞা।


❑ সূক্ষ্মকোণ (Acute angle) : এক সমকোণ (90) অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।
❑ সমকোণ (Right angle) : একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। এক সমকোণ=90
❑ স্থূলকোণ (Obtuse angle) : এক সমকোণ অপেক্ষা বড় বিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে সথূলকোণ বলে।
❑ প্রবৃদ্ধকোণ (Reflex angle) : দুই সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ
অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবদ্ধ কোণ বলে। অর্থাৎ 360 > x 180 হলে x একটি প্রবৃদ্ধ
কোণ।
❑ সরলকোণ (Straight angle) : দু’টি সরল রেখাপরস্পর সম্পর্ণ বিপরীত দিকে গমন করলে রেখাটির দু’পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে সরলকোণ বলে। সরলকোণ
দুই সমকোণের সমান বা 180
❑ বিপ্রতীপকোণ (Vertically Opposite angle ) : দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের যেকোণ একটিকেতার বিপরীত কোণের
বিপ্রতীপ কোণ বলে।
❑ সম্পূরককোণ(Supplementary angle ) : দু’টি কোণের সমষ্টি 180 বা দুইসমকোণ হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
❑ পূরককোণ (Complementary angle) : দু’টি কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90 হলেএকটিকেঅপরটির পূরক কোণ বলে।
❑ একাস্তরকোণ: দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে একান্তর কোণ বলে। একান্তর কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।
❑ অনুরূপকোণ: দু’টি সমান্তরাল সরল রেখাকে অপর একটি সরল রেখা ছেদ করলে ছেদকের একই পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তকে অনুরূপ কোণ বলে। অনুরূপ কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।
❑ সন্নিহিতকোণ: যদি দু’টি কোণের একটি সাধারণ বাহু থাকে তবে একটি কোণের অপর কোণের সন্নিহিত কোণ বলে।
❑ ত্রিভূজ (Triangle): তিনটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে ত্রিভূজ বলে।
❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Acute angle triangle ) : যে ত্রিভূজের তিনটি কোণই এক সমকোণ(90 0 ) এর ছোট তাকে সূক্ষ্মকোণী ত্রিভূজ বলে।
❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Obtuse angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সথূলকোণ বা এক সমকোণ অপেক্ষা বড় তাকে সথূলকোণী ত্রিভূজ বলে। কোণ
ত্রিভূজের একের অধিক সথূলকোণ থাকতে পারে না।
❑ সমকোণী ত্রিভূজ (Right angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সমকোণ
তাকে সমকোণী ত্রিভূজ বলে। কোন ত্রিভূজে একটির অধিক সমকোণ থাকতে পারে না। সমকোণী ত্রিভূজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভূজ এবং সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের একটিকে ভূমি এবং অপরটিকে লম্ব বলা হয়।
❑ লম্বকেন্দ্র
ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুগুলির উপর তিনটি লম্ব সমবিন্দুগামী, এবং বিন্দুটির নাম লম্বকেন্দ্র(orthocenter)
❑ পরিবৃত্ত: তিনটি শীর্ষবিন্দু যোগ করে যেমন একটিমাত্র ত্রিভুজ হয় তেমনি তিনটি বিন্দু (শীর্ষ)গামী বৃত্তও একটিই, এর নাম পরিবৃত্ত।
❑ পরিকেন্দ্র: পরিবৃত্তের কেন্দ্র (যে বিন্দু ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় থেকে সমদূরত্বে স্থিত)।
❑ চতুর্ভুজ: চারটি রেখাংশ দিয়ে সীমাবদ্ধ সরলরৈখিক ক্ষেত্রের সীমারেখাকে চতুর্ভুজ বলে।
বিকল্প সংজ্ঞা: চারটি রেখাংশ দিয়ে আবদ্ধ চিত্রকে চতুর্ভুজ বলে।চিত্রে কখগঘ একটি চতুর্ভুজ।
❑ কর্ণঃ চতুর্ভুজের বিপরীত শীর্ষ বিন্দুগুলোর দিয়ে তৈরি রেখাংশকে কর্ণ বলে। চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি তার পরিসীমার চেয়ে কম।
❑ চতুর্ভুজের বৈশিষ্ট্যঃ চারটি বাহু, চারটি কোন, অন্তর্বর্তী চারটি কোনের সমষ্টি ৩৬০°।
❑ সামান্তরিক: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণগুলো সমান  তাকে সামান্তরিক বলে।
❑ আয়ত: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়ত বলে।
❑ বর্গক্ষেত্র: বর্গক্ষেত্র বলতে ৪টি সমান বাহু বা ভূজ বিশিষ্ট বহুভূজ, তথা চতুর্ভূজকে বোঝায়, যার প্রত্যেকটি অন্তঃস্থ কোণ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রীর সমান।
❑ রম্বসঃ রম্বস এক ধরনের সামান্তরিক যার সবগুলি বাহু সমান কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়।
❑ ট্রাপিজিয়ামঃ যে চতুর্ভুজ এর দুইটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান।
❑ বহুভুজ
(কারনঃ সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ বক্র রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ সীমাবদ্ধ নয়)
যদি বহুভুজের সবগুলি বাহু ও কোণ সমান হয়, তবে সেটিকে সুষম বহুভুজ বলে।
বিপ্রতীপ কোণঃ কোন কোণের বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মি যে কোণ তৈরি করে, তা ঐ কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে ।
❑ গোলকঃ দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি তাদের সাধারণ প্রান্ত বিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে সরল কোণ বলে ।
❑ প্রবৃদ্ধকোণঃ দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে ।
❑ সমান্তরাল রেখাঃ একই সমতলে অবস্থিত দুটি সরল রেখা একে অপরকে ছেদ না করলে, তাদেরকে সমান্তরাল সরল রেখা বলে ।
❑ ছেদকঃ যে সরলরেখা দুই বা ততোধিক সরলরেখাকে ছেদ করে, তাকে ছেদক বলে ।
❑ অন্তঃকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখন্ডকগুলো সমবিন্দু ।ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের অন্তঃকেন্দ্র।
❑ পরিকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের বাহুত্রয়ের লম্বদ্বিখন্ডকত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের পরিকেন্দ্র।
❑ ভরকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণ একটি শীর্ষবিন্দু এবং তার বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে মধ্যমা বলে। ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় সমবিন্দু । ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র।
❑ লম্ববিন্দুঃ ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় হতে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্বত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের লম্ববিন্দু।
❑ সর্বসমঃ দুইটি ক্ষেত্র সর্বসম হবে যদি একটি ক্ষেত্র অন্যটির সাথে সর্বতোভাবে মিলে যায় । সর্বসম বলতে আকার ও আকৃতি সমান বুঝায় ।
❑ বর্গঃ আয়তক্ষেত্রের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান হলে তাকে বর্গ বলে ।
❑ স্পর্শকঃ একটি বৃত্ত ও একটি সরলরেখার যদি একটি ও কেবল ছেদবিন্দু থাকে তবে রেখাটিকে বৃত্তটির একটি স্পর্শক বলা হয় ।
❑ সাধারণ স্পর্শকঃ একটি সরলরেখার যদি দুইটি বৃত্তের স্পর্শক হয়, তবে বৃত্ত দুইটির একটি সাধারণ স্পর্শক বলা হয় ।
❑ আয়তিক ঘনবস্তুঃ তিন জোড়া সমান্তরাল আয়তাকার সমতল বা পৃষ্ট দ্বারা আবদ্ধ ঘনবস্তুকে আয়তিক ঘনবস্তু বলে ।
❑ ঘনকঃ আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান হলে, তাকে ঘনক বলে ।
❑ কোণকঃ কোন সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণ সংলগ্ন যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে ত্রিভুজটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক কোণক বলে ।
❑ সিলিন্ডার বা বেলুনঃএকটি আয়তক্ষেত্রের যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে আয়তক্ষেত্রটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক বেলুন বলে ।
❑বাহু :
❑ ত্রিভুজের বাহু = ৩টি,
❑ চতুর্ভুজের বাহু = ৪টি
❑ বৃত্তের বাহু = নাই,
❑ ঘনকের বাহু = ৮টি
❑ ঘনবস্তুর বাহু = ১২টি
❑ কিছু প্রাসঙ্গিক ইংরেজী শব্দ
Geometry-জ্যামিতি,
Point-বিন্দু্,
Line-রেখা,
Solid-ঘনবস্ত
Angle-কোণ,
Adjacent angle-সন্নিহিত কোণ,
Vertically opposite angles-বিপ্রতীপ
কোন,
Straight angles-সরলরেখা,
Right angle-সমকোণ,
Acute angle সূক্ষকোণ,
Obtuse angle- স্থুলকোণ ,
Reflex angle –প্রবিদ্ধ কোন,
Complementary angle-পূরক কোণ,
Supplementary angle-সম্পুরক কোণ,
Parallel line-সমান্তরাল রেখা,
Transversal-ছেদক,
Alternate angle-একান্তর কোণ,
Corresponding angle-অনুরূপ কোণ,
In-center – অন্ত-কেন্দ্র,
Circumcenter – পরিকেন্দ্র,
Centroid –ভরকেন্দ্র,
Orthocenter- লম্ববিন্দু,
Equilateral triangle-সমবাহু ত্রিভুজ,
Isosceles angle-সমদিবাহু ত্রিভুজ,
Scalene angle –বিষমবাহু ত্রিভুজ,
Right angled triangle- সমকোণী ত্রিভুজ,
Acute angled triangle-সূক্ষকোণী ত্রিভুজ,
Obtuse angled triangle-স্থুলকোণী ত্রিভুজ,
Congruent – সর্বসম,
Equiangular triangles-সদৃশকোণী ত্রিভুজ,
Quadrilateral- চতুভুজ,
Diagonal-কর্ণ,
Parallelogram- সামন্তরিক,
Rectangle-আয়তক্ষেত্র ,
Square-বর্গ, Rhombus-রম্বস

গণিতের ইংরেজী শব্দের অনুবাদঃ

1) absolute – পরম
2) abstract number – শুদ্ধ সংখ্যা
3) addition – যোগ
4) algebra – বীজগণিত
5) aliquot part – একাংশ
6) approximate – আসন্ন, স্থূল
7) approximately – স্থূলতঃ, আসন্ন
8)approximate value – আসন্নমান
9) arithmetic – পাটিগণিত
10) arithmetic series – সমান্তর শ্রেণী
11) average – গড়
12) on an average – গড়ে
13) base (of logarithm) – নিধান
14) binomial – দ্বিপদ
15) by – ভাজিত
16) cardinal – অঙ্কবাচক
17) characteristic (of log) – পূর্ণক
18) coefficient – গুণক
19) combination – সমাবেশ
20) commensurable – প্রমেয়
21) complex – জটিল
22) compound – মিশ্র, যৌগিক
23) compound interest – চক্রবৃদ্ধি
24) concrete number – বদ্ধ সংখ্যা
25) constant – ধ্রুবক
26) co-ordinates – স্থানাংক
27) cube – ঘন, ঘনফল
28) cube root – ঘনমূল
29) cubic – ত্রিঘাত, ঘন
30) decimal – দশমিক
31) denominator – হর
32) difference – অন্তর
33) differential calculus – অন্তরকলন
34) digit – অঙ্ক
35) dimension – মাত্রা
36) dividend – ভাজ্য, লাভাংশ
37) division – ভাগ, হরণ
38) divisor – ভাজক
39) double rule of three – বহুরাশিক
40) duo-decimal – দ্বাদশিক
41) elimination – অপনয়ন
42) equation – সমীকরণ
43) equivalent – তুল্য, সমতুল্য
44) even – জোড়, যুগ্ম, সম
45) evolution – অবঘাতন
46) expansion – বিস্তৃতি
47) exponential theorem – সূচকসূত্র
48) expression – রাশি, রাশিমালা
49) factor – উৎপাদক
50) factorial – গৌণিক
51) formula – সূত্র
52) fraction – ভগ্নাংশ
53) function – অপেক্ষক
54) geometric series – গুণোত্তর শ্রেণী
55) graph – লেখ, লেখচিত্র, চিত্র
56) graphical – লৈখিক
57) harmonic series – বিপরীত শ্রেণী
58) highest common factor (HCF) – গরিষ্ঠ সাধারণ গুণনীয়ক (গসাগু)
59) homogeneous – সমমাত্রা
60) identity – অবেদ
61) imaginary – কল্পিত
62) improper (fraction) – অপ্রকৃত
63) incommensurable – অমেয়
64) indeterminant – অনির্ণেয়
65) index – সূচক
66) infinite, infinity – অসীম, অনন্ত
67) integer – পূর্ণসংখ্যা
68) integral calculus – সমাকলন
69) into (×) – গুণিত
70) inverse ratio – ব্যস্ত অনুপাত
71) involution – উদ্ঘাতন
72) irrational – অমূলদ
73) logarithm – লগারিদম
74) lowest common multiple (LCM) – লঘিষ্ঠসাধারণ গুণিতক (লসাগু)
75) magnitude – মান, পরিমাণ
76) mantissa (of log.) – অংশক
77) maximum – চরম, বৃহত্তম
78) mean – মধ্যক, সমক
79) minimum – অবম, অল্পতম
80) minus – বিযুক্ত
81) mixed (fraction) – মিশ্র
82) multiple – গুণিতক
83) multiplicand – গুণ্য, গুণনীয়
84) multiplication – গুণন, পূরণ
85) multiplier – গূণক
86) negative – ঋণ, নেগেটিভ
87) number – সংখ্যা
88) numerator – লব
89) odd – বিজোড়, অযুগ্ম, বিষম
90) order – ক্রম
91) ordinal – পূরণবাচক
92) ordinate – কোটি
93) percent – শতকরা, প্রতিশত, শতাংশ
94) percentage – শতকরা হার
95) permutation – বিন্যাস
96) plus – যুক্ত
97) positive – ধন, পজিটিভ
98) power – ঘাত
99) practice – চলিত নিয়ম
100) present worth – বর্তমান মূল্য
101) prime – মৌলিক
102) product – গুণফল
103) progression – প্রগতি
104) proper (fraction) – প্রকৃত
105) proportion – সমানুপাত
106) quadratic – দ্বিঘাত
107) quantity – রাশি
108) quotient – ভাগফল
109) rate – দর, হার
110) ratio – অনুপাত
111) rational – মূলদ
112) reciprocal – বিপরীত
113) recurring – আবৃত্ত
114) reduction – লঘুকরণ
115) remainder – অবশিষ্ট, বাকি, শেষ, ভাগশেষ
116) root – মূল
117) rule of three – ত্রৈরাশিক
118) series – শ্রেণী
119) side (of equation) – পক্ষ
120) sign – চিহ্ন
121) significant – সার্থক
122) simple – সরল
123) simplification – সরলীকরণ
124) simultaneous equation – সহসমীকরণ
125) solution – সমাধান
126) square – বর্গ, বর্গফল
127) square root – বর্গমূল
128) subtraction – বিয়োগ, ব্যবকলন
129) sum – যোগফল, সমষ্টি
130) surd – করণী
131) term – পদ, রাশি
132) uniform – সম
133) unit – একক
134) unitary method – ঐকিক নিয়ম
135) unknown quantity – অজ্ঞাত রাশি
136) value – মূল্য, মান
137) variable – চল
138) variation – ভেদ
139) vulgar (fraction) – সামান্য
140) zero – শূন্য

জে এস সি বিজ্ঞান সৃজনশীল অনুশীলন।


নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ

নিচে নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের মধ্যে গঠিত একটি যৌগের সংকেত দেখানো হলোঃ

চিত্র-১: হাইড্রাজোয়িক এসিড

ক. সংকেত কাকে বলে?
খ. NH4+ - কে কেন একটি যৌগমূলক বলা যায়?
গ. প্রদত্ত সংকেতটির পরিমাণগত তাৎপর্য আলোচনা করো।
ঘ. “একটি মৌলের যোজনী এক বা একাধিক হতে পারে” - উক্তিটি প্রদত্ত সংকেতের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

নমুনা উত্তরঃ
ক. কোনো মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের অণুর সংক্ষিপ্ত রূপকে সংকেত বলে।

খ. আমরা জানি, যদি দুই বা ততোধিক মৌলের একাধিক পরমাণু একত্রে সংযুক্ত হয়ে একটি গ্রুপ গঠন করে একটি মাত্র পরমাণুর ন্যায় আচরণ করে তখন ঐ গ্রুপটিকে যৌগমূলক বলা হয়।

এইখানে, NH4+ একটি N ও চারটি H পরমাণু নিয়ে একটি পরমাণু গুচ্ছ গঠন করে যা একটি পরমাণুর মতো আচরণ করে।যেমনঃ এটির অন্য সকল পরমাণুর মতোই একটি যোজনী আছে (এটি একযোজী)। এইছাড়া এটি NH4Cl ও NH4NO3 এর  মতো বিভিন্ন যৌগ গঠনে অন্য পরমাণু বা মূলকের সাথে একটি সাধারণ পরমাণুর মতোই যুক্ত হয়। এইসব কারণে, NH4+ কে একটি যৌগমূলক বলা যায়।

গ. প্রদত্ত সংকেতটির পরিমাণগত তাৎপর্য নিম্নরূপঃ

প্রদত্ত সংকেতটি দ্বারা হাইড্রোজয়িক এসিডের (N3H) একটি অণুকে বুঝায়।

সংকেতটি থেকে বুঝা যায় যে হাইড্রোজয়িক এসিডের একটি অণু তিনটি নাইট্রোজেন ও একটি হাইড্রোজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত।

সংকেতটি থেকে আরও জানা যায় যে হাইড্রোজয়িক এসিডের আণবিক ভর,= (১৪ X ৩)+ (১ X ১)  = ৪৩। এবং এর মধ্যে নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের ভরের অনুপাত = ৪২ : ১।
ঘ. প্রদত্ত সংকেতটির তিনটি নাইট্রোজেনকে আমরা নিম্নোক্তভাবে চিহ্নিত করতে পারিঃ

চিত্র-২: হাইড্রাজোয়িক এসিড

এইখানে, ১ নম্বর নাইট্রোজেনটি একটি হাইড্রোজেনের সাথে একটি হাত দিয়ে এবং ২ নম্বর নাইট্রোজেনের সাথে দুইটি হাত দিয়ে যুক্ত। যেহেতু মৌলের যোজনীকে আমরা এক একটি হাতের সাথে তুলনা করি, সেহেতু আমরা বলতে পারি এখানে ১ নম্বর নাইট্রোজেনের যোজনী ৩ ব্যবহৃত হয়েছে।
২ নম্বর নাইট্রোজেনটি দুইটি হাত দিয়ে ১ নম্বর নাইট্রোজেনের সাথে এবং তিনটি হাত দিয়ে ৩ নম্বর নাইট্রোজেনের সাথে যুক্ত। এর থেকে বলা যায় ২ নম্বর নাইট্রোজেনের যোজনী ৫ ব্যবহৃত হয়েছে।

একইভাবে, ৩ নম্বর নাইট্রোজেনটি তিনটি হাত দিয়ে শুধুমাত্র ২ নম্বর নাইট্রোজেনের সাথে যুক্ত। তাই ৩ নম্বর নাইট্রোজেনের যোজনী ৩ ব্যবহৃত হয়েছে।

তাহলে বলা যায়, উক্ত যৌগে নাইট্রোজেনের দুই রকম যোজনী ব্যবহৃত হয়েছে।যথাঃ ৩ ও ৫।

আবার যেহেতু, উক্ত যৌগের হাইড্রোজেনটি একটি হাত দিয়ে শুধুমাত্র ১ নম্বর নাইট্রোজেনের সাথে যুক্ত, তাই হাইড্রোজেনের যোজনী ১ ব্যবহৃত হয়েছে।

সুতরাং আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি, “একটি মৌলের যোজনী এক বা একাধিক হতে পারে”।

২.কবির তার ছোট ভাইকে নিয়ে এক শীতের সকালে তাদের স্কুল মাঠে দৌড় প্রতিযোগীতা খেলতে গেলো। সে যখন তার ভাইয়ের সাথে কথা বলছিল তখন খেয়াল করল তার কথার প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে। স্কুল বিল্ডিং থেকে ৭৫ মিটার দূরে থাকা অবস্থায় কথা বলার ০.৪০ সেকেন্ড পর প্রতিধ্বনি তার কানে আসছিল। স্কুল বিল্ডিং-এর দিকে এগোতে থাকলে সে একসময় আর প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছিল না। একই রকম শব্দ সে যখন ঐদিন দুপুর বেলা (যখন বায়ু শুষ্ক ও তাপমাত্রা ৩০°সে.ছিল) করল, তখন সকাল বেলা যেখান থেকে প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছিল না,ঠিক সেখান থেকেই প্রতিধ্বনি শুনতে পারলো।

ক. শব্দ উৎপত্তির কারণ কী?
খ. মহাকাশে কোনো রকম বিস্ফোরণ ঘটলে তার শব্দ আমরা শুনতে পাই না কেন?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত দিনে সকাল বেলায় শব্দের বেগ কত ছিল?
ঘ. প্রতিধ্বনি শোনার ব্যাপারে একই জায়গায় কবিরের দুই রকম অভিজ্ঞতা হলো কেন? – বিশ্লেষণ করো।

প্রিয় শিক্ষার্থীরা তোমরা জানো, জাতীয়ভাবে নেয়া পরীক্ষাগুলোতে সৃজনশীল প্রশ্ন কখনও কমন পড়বেনা। এই ক্ষেত্রে তোমাদের দরকার পর্যাপ্ত অনুশীলন। সুতরাং পরীক্ষায় ভাল করতে হলে, এরকম সৃজনশীল প্রশ্নের সমাধান না দেখে নিজেই উত্তর দেয়ার চেষ্টা করো এবং পরে আমাদের দেয়া উত্তরের প্রেক্ষিতে নিজের উত্তরটি যাচাই করো।

Rules of Punctuation - বিরাম চিহ্নের ব্যবহার।


Punctuation হলো একটানা কথা বলতে বলতে আমরা মাঝে মাঝে থেমে যাই, দম নিয়ে থাকি। ঠিক তেমনি কোন কিছহু পড়ার সময় আমাদের মাঝে মাঝে থামতে হয় বা break নিতে হয়। বাক্যের অর্থ সুস্পষ্ট ভাবে বোঝার জন্য বাক্যের কথায় কতটুকু থামতে হবে তার কিছু নিয়ম আছে এবং কতগুলো সাংকেতিক চিহ্নর সাহায্যে নিয়মগুলো প্রকাশ করা হয়। এই সাংকেতিক চিহ্ন গুলো কে punctuation বা punctuation marks বলা হয়।

এই punctuation mark গুলো সঠিক জাগায় সঠিকভাবে ব্যাবহার না হলে বাক্যের অর্থ বা ভাব সঠিক ভাবে বঝা যাবে না। ইংরেজিতে ব্যবহৃত প্রধান punctuation mark গুলো নিম্নরুপঃ

  1. Full Stop [.]
  2. Comma [,]
  3. Semi- Colon [;]
  4. Colon [:]
  5. Question Mark [?]
  6. Exclamation Mark [!]
  7. Quotation Mark ['' '']
  8. Apostrophe [‘]
  9. Hyphen [-]
  10. Dash [—]
  11. Brackets [ () ]

   Use of Full Stop-

  Full Stop দ্বারা সবচেয়ে দীর্ঘ বিরতি বঝায়।
 1.সম্পূর্ণ বিরতি বোঝানোর জন্য। Assertive, Imperative এবং Optative এর শেষে।
 E.g. The girl lives on Elm Street
 The door was closed

  2. সংক্ষিপ্ত বা Abbreviated word ও শব্দের পর বসেঃ
 E.g. B.A. M.A U.S.A Dr. (Doctor)

  Comma (,)

    Comma স্বল্প বিরতি নির্দেশ করে। সাধারণতঃ এক (১) গণনা করতে যে সময় লাগে, Comma ’র বিরতি কাল ততটুকু। বক্তার বক্তব্য সুষ্পষ্ট করতে Comma বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সঠিক স্থানে Comma ব্যবহার না করলে অর্থের তারতম্য ঘটে। এমনকি বক্তব্যের উদ্দেশ্য ব্যহত হয়। যেমন- এখানে থাকবেন না, থাকলে বিপদ হবে। এখানে থাকবেন, না থাকলে বিপদ হবে। নিচে উল্লেখিত ক্ষেত্রে Comma বসে-

  i) দুইয়ের অধিক সমজাতীয় word, phrase বা Clause পাশাপাশি ব্যবহূত হলে প্রত্যেকটির পর Comma (,) বসে এবং শেষ শব্দের পূর্বে and বসে।

  Raju, Robin, Habib and Tushar are going to school.
  There are trees, bushes and flowers in the garden. 
  He lost land, money, reputation and friends.   
  What is wrong, Asad ?
  Note: and এর আগে Comma বসে না।

  ii)However, Moreever, therefore, As a result, Consequently, On the other hand, In the same time, Yet, Still, Otherwise, So, ইত্যাদি Adverb গুলোর পর Comma বসে।

  So, he is a good person. However, he is a nice man.
  On the other hand, Rahul is a thief.   
  After all, he is happy.
  উপর্যুক্ত Adverb গুলোর বাক্যের মাঝে ব্যবহূত হলে এদের আগে ও পরে Comma বসে।

  He, however, is a nice man. He is, therefore, happy here.
  I, therefore, pray and hope that you would be kind enough to grant me 5 days’ leave of absence in advance.

  iii) বাক্যের প্রথমে Adverial clause থাকলে তারপরে comma বসে।
  If you work hard, you will pass in the exam.
  Because of his honesty, he was praised by all.

  iv) একই Word and দ্বারা যুক্ত না করে পুনরুক্ত করতে চাইলে প্রথমে comma বসাতে হয়।
  What is lost, lost it will never come back.

  v) Absolute phrase বা clause কে আলাদা রাখার জন্য উভয় পাশে comma ব্যবহূত হয়।
  This boy, to be truthful, is an honest boy.

  vi) Nominative Absolute ’র পর—
  The sun having set, we reached home.

  vii) একাধিক noun/adjective clause করতে-
  I do not know where he is, when he will come and what his condition is.

  viii) Reporting verb’র পর/Direct Speech-এর আগে Comma বসে।
   He says, ''I am ill.''

  ix) (a) তারিখ ও সন/সাল পাশাপাশি থাকলে তারিখের পর কমা (,) বসে ।
  Mamun was born on January 25, 2002.
  September 30, 2012

   Use of Question Mark

 কোন sentence এ যদি প্রশ্ন বঝানো হয় তাহলে সেই বাক্যের শেষে Question Mark বসবে
 E.g. When are you leaving?

   Use of Exclamation

 বিস্ময় বা আশ্চর্য প্রকাশ করার জন্য Exclamation mark ব্যবহার করা হয়।
 E.g. Alas ! I am free.

  Use of Quotation Mark

 1.বক্তার কোন উক্তিকে অবিকল প্রকাশ করার জন্য
 E.g. Shefali said, '' I will have to go home early today.''
 2. কোন নাম বা শব্দ উদ্বৃত করতে
 E.g. ''Jane Eyre'' is a famous novel by Charlotte Bronte.

  Use of Hyphen

 যৌগিক শব্দের অংশগুলো যোগ করতে Hyphen ব্যবহৃত হয়।
  E.g. Barrister-in-law

  Use of Dash

 চিন্তায় বা ভাব এ আকস্মিক পরিবর্তন বুঝাতে Dash বসে।
 E.g. He sold many things — land, furniture.

  Use of Brackets

 কোন কিছু sentence এর মাঝে sentence এর ধারা অপরিবর্তিত রেখে ব্যাখ্যা দিতে Bracket ব্যবহার হয়।
 E.g. I have lost all ( I had twenty thousand taka with me)

  Use of Apostrophe

 1. Noun সমূহের Possesive case গঠন করতে apostrophe ব্যবহৃত হয়।
 E.g. This is Shameem’s book.
 2. সময় উল্লেখ করতে apostrophe ব্যবহার করতে হয়।
 E.g. It is 4’o clock.
   3. Contraction বা শব্দ সংক্ষেপণ apostrophe এবং দুটি শব্দ কে যুক্ত করতে apostrophe ব্যবহৃত হয়।
 E.g. Don’t touch the wet paint.

Monday, 4 May 2020

Article এর নাড়িভুড়ি।


----A, An, The: Article 
a, an, the এর ব্যাবহার মূলত নির্ভর করে এর পরের nounটির pronunciation (উচ্চারণের) উপর। এগুলোকে
আবার determiner বলা হয়। নিচে a, an, the এর ব্যবহার দেওয়া হলঃ
★★★Article “a” এর ব্যবহার
✬ Consonant sound (a, e, i, o, u বাদে অন্য ইংরেজি বর্ণমালা গুলো consonant sound
প্রকাশ করে) এর পূর্বে article “a” বসে। মনে রাখবেন countable noun এ consonant sound মানে “a”. A baseball, a boy, a car etc.
✬ Vowel দ্বারা শুরু হওয়া শব্দের উচ্চারণ যদি (yu) ইউ এর মত হয় তবে article A বসে। যেমনঃ a university (ইউনিভার্সিটি), a unit, a ewe, a European.
✬ “O” vowel এর উচ্চারণ যদি (wa) ওয়া এর মত হয় তবে article “a” বসে। যেমনঃ A one(ওয়ান), a one-taka note, a one-eyed deer.

★★★Article “an” এর ব্যবহার
✬ Singular countable noun এর প্রথম বর্ণ যদি
vowel (a, e, i, o, u)দ্বারা শুরু হয়। যেমনঃ an ant, an egg, an idiot.
✬ প্রথম বর্ণ consonant দ্বারা শুরু হওয়া স্বত্বেও vowel sound প্রকাশ করলে। an M.A(M:এম-AM), an LLB(L:এল-AL), an SDO(S:
এস-AS) etc.
✬ H দ্বারা শুরু হওয়া শব্দে “h” উচ্চারিত না হয়ে vowel sound উচ্চারিত হলে। যেমনঃ
an hour(আওয়ার), an heir(এয়ার), an honest(অনিষ্ট) man ইত্যাদি।
★★★Article “the” এর ব্যবহার
✬ কোন noun কে নির্দিষ্ট করে বুঝাতে তার পূর্বে definite article “the” বসে। অর্থাৎ যার সম্পর্কে পূর্বে বলা হয় অথবা দ্বিতীয় বার কোন ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে বলা হলে তার পূর্বে article “the”
বসে। যেমনঃ This is a nice picture. Give me the picture.ব্লগার ফেইসবুক এক্যাউন্ট
✬ Uncountable noun এর পূর্বে article হয় না। তবে noun ব্যবহারের সূত্র অনুযায়ী
uncountable noun এর পূর্বে the বসতে পারে।
✬ Cardinal number (1,2,3……..) পূর্বে article
বসে না। Cardinal number এর কথা বললে ক্যালেন্ডারের কথা মনে করুন। আর ক্যালেন্ডারে ১,২,৩…সংখ্যা হিসাবে তারিখ থাকে। ক্যালেন্ডারে তারিখের সংখ্যা আর Cardinal number সংখ্যার প্রকাশ একিই এবং এর পূর্বে article বসে না। যেমন one, two, three……. ইত্যাদি।
অপরপক্ষে first, second, third…. ইত্যাদি
ordinal number এবং ordinal number এর পূর্বে the বসে। যেমনঃ The first, the second, the third ইত্যাদি।

★নিন্মের কবিতার শব্দগুলোর আগে
article the বসে।
চন্দ্র, সূর্য, সাগর, মহাসাগর আর নদী,
পর্বতশ্রেণী, দ্বীপপুঞ্জ, উপসাগর থাকে যদি,
উত্তর,দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম মিলে এই পৃথিবী,
জাতি, সম্প্রদায়, ধর্মগ্রন্থ, পত্রিকায় লিখলেন কবি।
জাহাজ, তারিখ আর ভৌগলিক নাম-
এর আগে The এর ব্যবহার হয় সহজে জানলাম।
★এবার এসো আমরা ছন্দে ছন্দে the এর ব্যবহার শিখি
নদী,সাগর দ্বীপ পুঞ্জ
জাহাজাদি ঘিরি,পর্বত
চন্দ্র,সূর্য গ্রহ তারা,আরো যত বিশব ধারা
পৃথিবীতে একটি আছে যত
তার পূর্বে the বসবে নেই ভিন্নমত।☺

যেমনঃ the moon, the sun, the Red Sea, the Atlantic Ocean, the Padma, the Himalayas, the Persian Gulf, the north, the south, the east, the west, the earth, the Indians, the Muslims, the holy Quran, the Daily Star, the Amir, the 24th October
the U.S.A, the United Kingdom.

★★★ যেসব স্থানে Article বসে না –

★a/an অনির্দিষ্ট একটি মাত্র ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। তাই plural word
এর পূর্বে article a/an বসে না। শুধু মাত্র
singular এবং অনির্দিষ্ট ব্যক্তি/ বস্তুর ক্ষেত্রে a/an ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ a book, a pen, an apple ইত্যাদি।

★যেসব noun এর কোন plural form নেই বা যাদের সাথে s/es যুক্ত হয়ে plural হয় না সেসব word এর পূর্বেও article বসে না। নিন্মের কবিতার মাধ্যমে word গুলো মনে রাখুন ।নিন্মের word গুলোর পূর্বে কোন
article বসে না।
★“ভাষা( bangla, French etc), খাদ্য (bread, meat etc), গ্যাস (oxygen, hydrogen etc) আর রোগব্যধি (malaria, cancer, AIDS)
অদৃশ্য (information, advice), তরল বস্তু (tea, soup,oil), ক্ষুদ্র কনা( sand, rice, flour) থাকে যদি ,
পাঠ্য বিষয় (physics, history, chemistry),
প্রাকৃতিক বস্তু (sunshine, darkness),
খেলাধুলা (football, cricket,chess)
এসব বিষয় non count!

Sunday, 3 May 2020

জে এস সি গনিত ২০২০। প্রথম অধ্যায়ঃ প্যাটার্ন সৃজনশীল প্রশ্ন।


প্রশ্নঃ১। ৪, ৭, ১০, ১৩, . . . . . . . . . . . . একটি সংখ্যা প্যাটার্ণ।
(ক) ৩২৫ কে তিনটি ভিন্ন উপায়ে দুইটি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) তালিকাটির বীজগণিতীয় রাশি নির্ণয় কর।
(গ) তালিকাটির ১ম পদ বাদে অবশিষ্ট পদ নিয়ে গঠিত প্যাটার্ণের ১ম ১০টি পদের সমষ্টি বের কর
প্রশ্নঃ২। ১, ৪, ৯, ১৬, ২৫,  . . . . . . . . . . একটি সংখ্যা প্যাটার্ণ।
(ক) স্বাভাবিক ক্রমিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের সূত্রটি লেখ।
(খ) তালিকার পরবর্তী তিনটি সংখ্যা নির্ণয় কর।
(গ) প্রথম থেকে ২০তম পার্থক্য পর্যন্ত পার্থক্যগুলোর সমষ্টি বের কর।
প্রশ্নঃ৩। ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, . . . . . . . . . একটি প্যাটার্ন এবং ২ক +১ একটি বীজগণিতীয় রাশি।
(ক) ফিবোনাক্কি সংখ্যা কী? ব্যাখ্যা কর।
(খ) সংখ্যা প্যাটার্নটির পরবর্তী চারটি পদের মান নির্ণয় কর।
(গ) বীজগণিতীয় রাশিটির প্রথম ৫০টি পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ৪। ৫, ১৩, ২৪, ৩৮, ৫৫, . . . . . . . . . . একটি সংখ্যা প্যাটার্ন।
(ক) যেকোনো একটি কৌশলে ৪ ক্রমের একটি ম্যাজিক বর্গ গঠণ কর।
(খ) তালিকার পরবর্তী চারটি পদ নির্ণয় করে তাদের যোগফল বের কর
(গ) তালিকার সংখ্যাগুলোর পার্থক্য যে প্যাটার্ন তৈরি করে তার যেকোনো পদ নির্ণয় করার একটি সাধারণ সূত্র তৈরি কর এবং প্রথম ৫০টি পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ৫। ৭, ১৬, ২৫, ৩৪, ৪৩, . . . . . . .  . . . . একটি সংখ্যা প্যাটার্ন।
(ক) তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যাকে দুইটি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) তালিকার সাধারণ অন্তর এবং পরবর্তী তিনটি সংখ্যা নির্ণয় কর।
(গ) তালিকার ৪৫তম পদ এবং ১ম ৪৫টি পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ৬। ৫, ১৩, ২১, ২৯, ৩৭, . . . . . . . . . . . . . . .
(ক) ২৯ এবং ৩৭ কে দু’টি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) তালিকার পরবর্তী ৪টি সংখ্যা নির্ণয় কর।
(গ) তালিকার প্রথম ৫০টি সংখ্যার সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশঃ৭। ৭, ১১, ১৫, ১৯, ২৩, ২৭, . . . . . . . . . . . একটি সংখ্যা প্যাটার্ন।
(ক) ৪০ কে দুইটি বর্গের অন্তর এবং ১০০ কে দুইটি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) উদ্দীপকে প্রদত্ত সংখ্যাগুলো কোন নিয়মে প্যাটার্নভূক্ত হলো তা দেখাও এবং যেকোনো পদ নির্ণয়ের সূত্র ‌’ক’ চলকের সাহায্যে প্রকাশ কর।
(গ) প্যাটার্নটির প্রথম ২৫টি পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ৮। (৫ক+৭) একটি বীজগাণিতিক রাশি, যেখানে ‘ক’ একটি স্বাভাবিক সংখ্যা।
(ক) রাশিটির ১ম ও ২য় পদ নির্ণয় কর।
(খ) উদ্দীপকের আলোকে ১ম তিনটি পদের জ্যামিতিক প্যাটার্ন অঙ্কন করে মোট রেখাংশের সংখ্যা নির্ণয় কর।
(গ) রাশিটির প্রথম পঞ্চাশটি পদের সমষ্টি সূত্রের সাহায্যে নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ৯। ৩ক+১ কোনো সংখ্যা তালিকার বীজগণিতীয় রাশি।
(ক) ৩২৫ কে দুইটি ভিন্ন উপায়ে দুইটি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) উদ্দীপকের আলোকে ৩য় ও ৪র্থ পদের জ্যামিতিক প্যাটার্ন অঙ্কন কর এবং অঙ্কনের সত্যতা যাচাই কর।
(গ) রাশিটির প্রথম ১০০ পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ১০। (৫ক +২) একটি বীজগণিতীয় রাশি।
(ক) রাশিটির ১ম ও ২য় পদ কত?
(খ) উদ্দীপকের আলোকে ৩য় ও ৪র্থ পদের জ্যামিতিক প্যাটার্ন অঙ্কন কর এবং অঙ্কনের সত্যতা যাচাই কর।
(গ) রাশিটির প্রথম ১০০ পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ১১। দিয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়ে নিচের ত্রিভূজগুলোর প্যাটার্ন তৈরি করা হয়েছে।
(ক) চতুর্থ চিত্রের দিয়াশলাইয়ের কাঠির সংখ্যা নির্ণয় কর।
(খ) প্যাটার্নটির পরবর্তী সংখ্যাটি কীভাবে বের করবে তা ব্যাখ্যা কর।
(গ) শততম প্যাটার্ন তৈরিতে কতগুললোর কাঠির প্রয়োজন হবে নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ১২। সমান দৈর্ঘের কাঠির সাহায্যে নিচের জ্যামিতিক প্যাটার্নগুলো তৈরি করা হয়েছে।
(ক) উদ্দীপকের আলোকে পঞ্চম চিত্রটি তৈরি কর এবং কাঠির সংখ্যা নির্ণয় কর।
(খ) উদ্দীপকের আলোকে একটি বীজগণিতীয় রাশি নির্ণয় কর এবং ৫০তম প্যাটার্ন তৈরিতে কতগুলো কাঠি প্রয়োজন তা নির্ণয় কর।
(গ) প্রথম ১০০টি চিত্র তৈরি করতে মোট কতগুলো কাঠি প্রয়োজন হবে তা নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ১৩। নিচের জ্যামিতিক চিত্রগুলো কাঠি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
(ক) কাঠির সংখ্যার তালিকা তৈরি কর।
(খ) তালিকার পরবর্তী সংখ্যাটি কীভাবে বের করবে তা ব্যাখ্যা কর।
(গ) কাঠি দিয়ে পরবর্তী চিত্রটি তৈরি কর এবং তোমার যাচাই কর।
প্রশ্নঃ১৪। নিচের চিত্রগুলো দিয়াশলাইয়ের কাঠি দ্বারা গঠিত।
(ক) ৪১ ও ৫৮ কে দু’টি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) প্যাটার্নের চতুর্থ চিত্রটি তৈরি করে প্যাটার্নটি কোন বীজগণিতীয় রাশিকে সমর্থন করে তা যুক্তিসহ উপস্থাপন কর।
(গ) প্যাটার্নের ৬০ নম্বর চিত্রটি  তৈরি করতে কতগুলো কাঠির প্রয়োজন হবে এবং প্রথম ৬০টি চিত্র তৈরি করতে মোট কতটি কাঠি প্রয়োজন হবে নির্ণয় কর।

জে এস সি বিজ্ঞান।। দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি।


সংক্ষিপ্ত প্রশ্নঃ ১। কোষ কী? উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় জীবকোষের বিভক্তির মাধ্যমে ১ থেকে ২ কোষে পরিণত হওয়াকে কোষ বলে। ২। মাইটোসিস কী? উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস একবার বিভাজিত হয়ে সমআকৃতির, সমগুণসম্পন্ন ও সমসংখ্যক ক্রমোজমবিশিষ্ট দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে তাকে মাইটোসিস বলে। ৩। মিয়োসিস কী? উত্তর : যে কোষ বিভাজনে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসটি পর পর দুবার বিভাজিত হলে ক্রমোজমের বিভাজন ঘটে মাত্র একবার। ফলে অপত্য কোষে ক্রমোজমের সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়, তাকে মিয়োসিস বলে। ৪। ক্যারিওকাইনেসিস কী? উত্তর : নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস বলে। ৫। সাইটোকাইনেসিস কী? উত্তর : সাইটোপ্লাজমের বিভাজনকে সাইটোকাইনেসিস বলে। ৬। ইন্টারফেজ কী? উত্তর : ক্যারিওকাইনেসিস ও সাইটোকাইনেসিস শুরু হওয়ার আগে কোষটির নিউক্লিয়াসকে কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ করতে হয়। কোষটির এ অবস্থানকে ইন্টারফেজ বলে। ৭। হ্যাপ্লয়েড কী? উত্তর : এক প্রস্থ ক্রমোজমকে হ্যাপ্লয়েড (n) বলে। ৮। ডিপ্লয়েড কী? উত্তর : দুই প্রস্থ ক্রমোজমকে ডিপ্লয়েড (2n) বলে। ৯। বংশগতি কী? উত্তর : মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য যে প্রক্রিয়ায় সন্তান-সন্ততিতে সঞ্চারিত হয় তাকে বংশগতি বলে। ১০। ক্রমোজম কী? উত্তর : নিউক্লিয়াসে অবস্থিত নির্দিষ্টসংখ্যক সুতার মতো যে অংশগুলো জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বহন করে তাদের ক্রমোজম বলে। ১১। ক্রোমাটিড কী? উত্তর : প্রতিটি ক্রমোজম লম্বালম্বিভাবে বিভক্ত হওয়ার পর যে দুটি সমান আকৃতির সুতার মতো অংশ গঠন করে তাদের প্রত্যেকটিকে ক্রোমাটিড বলে। ১২। সেন্ট্রোমিয়ার কী? উত্তর : ক্রোমাটিড দুটি যে নির্দিষ্ট স্থানে পরস্পর যুক্ত থাকে তাকে সেন্ট্রোমিয়ার বলে। ১৩। DNA-এর পূর্ণরূপ কী? উত্তর : ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড। ১৪। RAN-এর পূর্ণরূপ কী? উত্তর : রাইবো নিউক্লিক এসিড। ১৫। জিন কী? উত্তর : জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী একককে জিন বলে।

জে এস সি তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রশ্নঃ২


প্রশ্ন : ‘তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে একজন কর্মী অনেক বেশি দক্ষ হয়ে ওঠে।’ উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিপুল বিকাশের ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নানা ধরনের পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। এর বিকাশের শুরুর দিকে ধারণা করা হতো স্বয়ংক্রিয়করণ এবং প্রযুক্তির প্রয়োগের ফলে বিশ্বব্যাপী কাজের পরিমাণ কমে যাবে এবং বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাবে; কিন্তু পরবর্তী সময়ে দেখা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ফলে কিছু কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে বা বেশ কিছু কাজের ধারা পরিবর্তন হয়েছে বটে, তবে অসংখ্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আর এই পরিবর্তিত ও নতুন কাজের ক্ষেত্রগুলোতে নিজেদের জায়গা করে নেওয়ার জন্য কর্মীরা ক্রমাগত নিজেদের তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে সংযুক্ত করছে, কাজ শিখছে ও দক্ষ হচ্ছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানই কম কর্মী দিয়ে বেশি কাজ করিয়ে নিতে পারে।

বাঙালি শিক্ষাবিদ ও বর্তমান আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) অধ্যাপক ড. ইকবাল কাদিরের মতে, প্রযুক্তিতে জনগণের সংযুক্তি বাড়লে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ে। ফলে তৈরি হয় নতুন নতুন কর্মসংস্থান। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে কর্মীরা দক্ষ হয়ে ওঠার

কিছু উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো :

১. পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকার জন্য কর্মীরা তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক জ্ঞান অর্জন করেছে।

২. কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণগুলোতে অংশগ্রহণ করছে, কাজ শিখছে। আর এভাবে নিজেদের ক্রমাগত দক্ষ করে তুলছে।

৩. কর্মীরা স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ও রোবট পরিচালনার কাজগুলো দক্ষতার সঙ্গে করছে, যার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো সহজেই নিখুঁতভাবে করতে পারছে।

৪. কম্পিউটারের সাহায্যে অনেক কাজই এখন সহজে করে ফেলা যায়, যা বিশেষ দক্ষতা না থাকলে আগে করা যেত না। যেমন ফটোগ্রাফি বা ভিডিও এডিটিং। ফলে কম সময়ে কর্মীরা বেশি কাজ করতে পারছে।

৫. তথ্যপ্রযুক্তিসংক্রান্ত কাজগুলোতে দক্ষ হয়ে অনেকেই এখন ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানই এখন ভার্চুয়াল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও অনেকে নিজেদের কর্মক্ষেত্র খুঁজে নিচ্ছে, বেকারত্ব দূর করছে ও স্বাবলম্বী হচ্ছে।

জে এস সি তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রশ্ন।


প্রশ্নঃ  রাউটার কি? রাউটার ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা লিখ।
(রাউটার (Router) : রাউটার ইন্টারনেটওয়ার্ক কানেকটিভিটি ডিভাইস হিসেবে ব্যবহূত হয়। রাউটারের মাধ্যমে একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা যায় এবং নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা যায়। এটি পোস্টম্যান-এর মতো উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয়।
রাউটারের সুবিধা (Advantages of Router) :
(১)   রাউটার ডেটা ট্রান্সমিশনে সংঘর্ষ বা বাধার সম্ভাবনা কমায়।
(২)   এখানে ব্রডকাস্ট ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব হয়।
(৩)বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন( ইথারনেট, টোকেন, রিং ইত্যাদি সংযুক্ত করতে পারে।
রাউটারের অসুবিধা (Disadvantages of Router):
(১) রাউটারের দাম বেশি।
(২) একই প্রটোকল ছাড়া রাউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে না।
(৩) এর কনফিগারেশন তুলনামূলকভাবে জটিল।
(৪) অপেক্ষাকৃত ধীরগতিসম্পন্ন।

প্রশ্নঃ নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড কি? সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।

নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (Network Interface Card- NIC) : দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য একটি বিশেষ বর্তনীর প্রয়োজন হয়। এ বর্তনীকে যে কার্ডের উপর সজ্জিত করা হয় তাকে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বলে। একে LAN কার্ডও বলা হয়। বিভিন্ন ধরনের অতিরিক্ত সুবিধা প্রাপ্তির জন্য ব্যবহূত উক্ত কার্ডসমূহকে Add in Card হিসেবে অভিহিত করা হয়। এ ধরনের কার্ডগুলো মাদারবোর্ডের এক্সপানশন স্পটে স্থাপন করা হয়। এই কার্ডকে এক্সপানশন স্পটে বসানোর পর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরিকৃত ড্রাইভার সফটওয়্যার দ্বারা ইন্সটল করতে হয়। NIC কার্ডটি পিসি এবং ডেটা ক্যাবলের সিগন্যাল আদান-প্রদানের কাজটি সমন্বয় করে থাকে। তবে বর্তমান কালের সকল কম্পিউটার বা ল্যাপটপে NIC কার্ড বিল্ট ইন থাকে বিধায় পৃথক কোনো কার্ড বসানোর প্রয়োজন হয় না।