Tuesday, 19 May 2020

HSC বিভিন্ন বোর্ড ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরেফেরা আসা ৪০ টি প্রশ্ন।



১.বিড়াল প্রবন্ধে মেও শব্দটি কতবার ব্যবহৃত হয়েছে ??
উত্তর : ১৩ বার

২. বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি? 
উত্তর : দুর্গেশনন্দিনী

৩. কমলাকান্তের দপ্তর কোন ধরনের রচনা?
উত্তর : রসাত্নক ও ব্যঙ্গধর্মী রচনা

৪. ঘরে বাইরে উপনাসটি কোন কবির?
উত্তর : রবীন্দ্রনাথের ।

৫. বিবাহের দিন কল্যাণী কী রংয়ের শাড়ি পড়েছিল?
উত্তর : লাল

৬. মামলা করলে তামাসার যেটুকু বাকি আছে তা পুরা হইবে, কারা বললো?? 
উত্তর : হিতৈষিরা

৭. ধান্য তার বসুন্ধরা যার, উক্তিটি কার?
উত্তর : রবীন্দ্রনাথের ।

৮. পূর্বে কারা ভাতের অভাবে শাক সবজি সিদ্ধ করে খাইতো? 
উত্তর : রংপুরবাসী

৯.পূর্বে পল্লিবাসীগণ কি প্রস্তুত করে কাপড় কাচতো?
উত্তর : ক্ষার

১০. জুট মিলের কর্মচারীরা মাসিক কত টাকা মাইনে পাইতো?
উত্তর : ৫০০ - ৭০০ টাকা

১১.বিভুতিভূষের কালজয়ী যুগল উপন্যাসের নাম কি?
উত্তর : পথের পাচালি ও অপরাজিতা।

১২.আহ্বান গল্পে লেখকের কাছে বুড়ির শেষ ইচ্ছা কি ছিল?
উত্তর : কাফনের কাপড়।

১৩.বুড়িকে কোন গাছের তলায় কবর দেওয়া হয়?
উত্তর : প্রাচীন তিত্তিরাজ গাছ।

১৪. লেখন কোন মাসে নিজের চালা ঘরে উঠেছিল? 
উত্তর : জ্যৈষ্ঠ।

১৫.কাজী নজরুল ইসলামের মতে কোনটি আমাদের নিষ্ক্রিয় করে দেয়?
উত্তর : পরাবলম্বন।

১৬.কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন??
উত্তর : ১৯১৭ সালে।

১৭. সম্মার্জনা অর্থ কি?
উত্তর : ঘষে মেজে পরিস্কার করা।

১৮. মোতাহের হোসেন চৌধুরি কোন আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর : বুদ্ধিরমুক্তি আন্দোলন।

১৯. জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত?
উত্তর : সংস্কৃতি কথা

২০.প্রেম ও সৌন্দর্যেরর স্পর্শ লাভ না করা মানুৃষের একমাত্র দেবতা কে?
উত্তর : অহংকার।

২১.মাসিপিসি গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? 
উত্তর : পূর্বাশা

২২. কানাইয়ের সাথে গোকুলের কত জন পেয়াদা এসেছিল?
উত্তর : তিনজন ।

২৩. কার শাউড়ি ননদ বাঘের মতো ছিল?
উত্তর : মাসির।

২৪. বাঙলির মুক্তির ছনদ বলা হয়?
উত্তর : ছয়দফাকে

২৫. মানুৃষের যখন পতন আসে, তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে উক্তিটি কার? 
উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের

২৬.অসামাপ্ত আত্নজীবনী গ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর : ২০১২ সালে।

২৭. শেখ মুজিবুর রহমান লিখিত ' অসমাপ্ত আত্নজীবনী গ্রন্থের ভূমিকা কে লিখেছেন? 
উত্তর : শেখ হাসিনা

২৮.জেলখানায় থাকা অবস্হায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কতটি চিঠি লিখেছিলেন?
উত্তর : চারটি

২৯.বাংলাদেশের জাতিতাত্বিক জাদুঘর কোন শহরে অবস্হিত? 
উত্তর : চট্টগ্রাম

৩০. পৃথিবীর প্রথম জাদুঘর কোথায় স্হাপিত হয়েছিল? 
উত্তর: আলেকজান্দ্রিয়ায়

৩১. নুসরত শাহের আশরাফপুর শিলালিপি কোন হরফে লিখা ছিল? 
উত্তর : তুঘরা হরফে

৩২.মিলিটারীরা কোথায় ক্যাম্প করেছিল?
উত্তর : কলেজের জিমন্যাশিয়ামে

৩৩.আসাদ গেইট স্টপেজ থেকে কতজন প্যাসেন্জার উঠল? 
উত্তর : নয়জন

৩৪. রেইনকোট গল্পে নুরুলহুদা কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন? 
উত্তর : কেমিস্ট্রি

৩৫.'মহাজাগতিক কিউরেটর 'গল্পে স্বকীয়তা হারানো প্রাণিটা হলো? 
উত্তর : কুকুর

৩৬.মহাজাগতিক কিউরেটর গল্পে মানুৃষের বয়স কত বলা হয়েছে? 
উত্তর : দুই মিলিয়ন

৩৭.মি. লোইসেল ও তার স্ত্রী ঋণ পরিশোধের জন্য কত বছর কষ্ট করেছিলেন? 
উত্তর : দশবছর

৩৮.প্যালেস রয়েলে দেখা হারটির দাম কত?
উত্তর : চল্লিশ হাজার ফ্রা

৩৯. মাদাম ফোরস্টিয়ারের গহনাটির দাম কত ছিল?
উত্তর : ৫০০ ফ্রা

৪০. নেকলেস গল্পটি ফরাসি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উত্তর : La Gaulois.

Sunday, 17 May 2020

গ্রুপ- I ও গ্রুপ- II মৌলসমূহের রসায়ন


ক্ষার ধাতুগুলির সর্ব বহিঃস্থ স্তরে
১টি মাত্র ইলেক্ট্রন থাকে
মৃৎক্ষার ধাতুগুলির সর্ব বহিঃস্থ স্তরে
২টি ইলেক্ট্রন থাকে
ক্ষার ধাতুগুলির জারণ সংখ্যা +1
ক্ষার ধাতুসমূহের প্রধান বিশেষত্ব
হচ্ছে- এরা খুবই নরম
গ্রুপ I(A) এর মৌলসমূহ ক্ষার ধাতু এবং
গ্রুপ II(A) এর মৌলসমূহ মৃৎক্ষার ধাতু
পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে
সাথে ক্ষার ধাতুসমূহের ধাতব ব্যাসার্ধ
ও আয়নিক ব্যাসার্ধ বাড়ে
সোডিয়াম ক্লোরাইডের গলনাংক-
819ᵒC
Na2 CO 3 -র জলীয় দ্রবণ ক্ষারধর্মী
একই শ্রেণীর উপর হতে ক্রমান্বয়ে
নিচের দিকে অগ্রসর হলে আয়নিকরণ
শক্তির মান কমে যায়
ব্রাইনের তড়িৎ বিশ্লেষণে অ্যানোডে
ক্লোরিন এবং ক্যাথোডে হাইড্রোজেন
উৎপন্ন হয়
গ্রুপ-II ধাতুর হাইড্রক্সাইডের
দ্রাব্যতার ক্রম- Mg(OH) 2 < Ca(OH) 2 < Sr
(OH) 2 < Ba(OH) 2
জিংক অক্সাইডকে ফিলসফার উল বলে
জিংক অক্সাইড একটি উভধর্মী
অক্সাইড
পেট্রোল জ্বালানির অ্যান্টি-নক
প্রস্তুতিতে সোডিয়াম ব্যবহৃত হয়
অতীব শক্তিশালী বিজারক রূপে এবং
কতিপয় ধাতু সংকর (সোডিয়াম
অ্যামালগাম) প্রস্তুতিতে সোডিয়াম
ধাতু ব্যবহৃত হয়
সাবান, কাগজ ও কৃত্তিম রেশম
তৈরিতে কস্টিক সোডা ব্যবহৃত হয়
বিভিন্ন বস্তুকে বর্ণহীন করার জন্য
এবং জীবাণুনাশক হিসাবে সোডিয়াম
হাইপোক্লোরাইট ব্যবহৃত হয়
সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইটের
গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হচ্ছে- কাগজের
মণ্ডকে বর্ণহীন করা
শিখা পরীক্ষায় সোডিয়াম (Na)
উজ্জ্বল সোনালি হলুদ বর্ণ দেয়
শিখা পরীক্ষায় পটাশিয়াম (K) বেগুনি
এবং সিজিয়াম নীল বর্ণ দেয়
শিখা পরীক্ষা ক্যালসিয়াম (Ca) ইটের
ন্যায় লাল বর্ণ প্রদর্শন করে
প্যারিস প্লাস্টার (CaSO 4 ) 2 .H 2 O
প্রস্তুতি :
জিপসাম আকরিককে 120ᵒC
তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে প্যারিস
প্লাস্টার পাওয়া যায়।
2(CaSO 4 .2H 2 O)→(CaSO 4 .2H 2 O)+3H 2 O
বিভিন্ন যৌগের নাম ও সংকেত :
নাম সংকেত
কাপড় কাচা সোডা Na2 CO 3 .10H 2 O
রক সল্ট NaCl
সোডা অ্যাশ Na2 CO 3
জিপসাম CaSO4 .2H 2 O
সাদা ভিট্টিয়ল ZnSO 4 .7H 2 O
ডলোমাইট CaCO 3 .MgCO 3
চুনের পানি Ca(OH) 2
কুইক লাইম CaO
ব্লিচিং পাউডার Ca(OCl)Cl
v. বিভিন্ন মৌলের উৎস :
সোডিয়াম :
১. রক সল্ট- NaCl
২. চিলি সল্ট পিটার- NaNO3
৩. ন্যাট্রোন- Na2 CO 3 .H 2 O
৪. বোরাক্স- Na2 B 4 O7 .10H 2 O
পটাশিয়াম :
১. সিলভাইন- KCl
২. নাইটার- KNO3
৩. কার্নালাইট- KCl.MgCl2 .6H 2 O
৪. ফেলসপার- K 2 O.Al 2 O3 .6SiO 2
৫. ক্যানাইট- MgSO 4 .KCl.3H 2 O
ক্যালসিয়াম :
১. চুনাপাথর- CaCO 3
২. অ্যানহাইড্রাইট- CaSO 4
৩. জিপসাম- CaSO4 .2H 2 O
৪. ফসফরাইট- Ca 3 (PO 4 ) 2
৫. ডলোমাইট- CaCO 3 .MgCO 3
৬. ফ্লোর অ্যাপাটাইট- CaF2 .3Ca(PO 4 ) 2
ম্যাগনেসিয়াম :
১. ম্যাগনেসাইট- MgCO 3
২. ডলোমাইট- MgCO 3 .CaCo 3
৩. ডিসেরাইট-MgSO 4 .H 2 O
৪. কার্নালাইট- KCl.MgCl 2
৫. ইলসোমাইট- MgSO4 .7H 2 O
৬. ক্যানাইট- MgSO 4 KCl3
৭. অ্যাসবেস্টস- Mg 3 Ca(SiO 3 ) 4
v. কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়া :
উত্তাপে লিথিয়াম নাইট্রেট
বিযোজিত হয়ে লিথিয়াম অক্সাইড,
নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড ও
অক্সিজেন উৎপন্ন করে।
4LiNO 3 2Li 2 O+4NO 2 +O 2
সিলিকার সাথে সোডিয়াম
কার্বনেটকে উত্তপ্ত করে সোডিয়াম
সিলিকেট বা পানি কাঁচ উৎপন্ন করে।
Na2 CO 3 +SiO 2 →Na 2 SiO3 +CO 2
ব্লিচিং পাউডার লঘু HCl এর সাথে
বিক্রিয়া Cl2 করে গ্যাস উৎপন্ন করে।
Ca(OCl)Cl+2HCl→CaCl 2 +H 2 O+Cl 2
জিপসাম আকরিককে তাপমাত্রায়
উত্তপ্ত করলে প্যারিস প্লাস্টার
পাওয়া যায়।
2(CaSO 4 .2H 2 O) (CaSO 4 ) 2 .H 2 O
+3H 2 O
v. কিছু উল্লেখযোগ্য খনিজ :
ম্যাগনেসাইট MgCO 3
ডলোমাইট MgCO 3 .CaCO 3
কিসেরাইট MgSO4 .H 2 O
চুনাপাথর CaCO 3
অ্যানহাইড্রাইট CaSO4
জিপসাম CaSO4 .2H 2 O
ফসফেরাইট Ca 3 (PO 4 ) 2
বেরাইট BaSO4
v. সোডিয়ামের প্রধান আকরিকসমূহ :
খাদ্য লবণ/ রক সল্ট NaCl
ন্যাট্রোন NaCO3 .H 2 O
ট্রোনা NaCO3 .2NaHCO 3 .3H 2 O
সোহাগা Na2 B 4 O7 .10H 2 O
চিলি সল্ট পিটার NaNO 3
ক্রায়োলাইট AlF 3 .NaF
v. কিছু বিশেষ তথ্য :
১. Na ধাতু অত্যন্ত সক্রিয় বলে
বাতাসের জলীয় বাষ্পের সাথে তীব্র
বিক্রিয়া করে যাতে আগুন ধরে যেতে
পারে। তাই Na ধাতুকে কেরোসিনের
নিচে রাখা হয়।
২. গ্রুপ IA-এর ধাতুগুলোর দুটি অদ্রবণীয়
লবণ হল Na পাইরো এন্টিমোনেট
(Na 2 H 2 Sb 2 O 7 ) এবং ডাই-পটাশিয়াম
কোবাল্ট নাইট্রাইট K 2 Na[Co(NO 2 ) 6 ]
৩. NaCl ও CaCOI এর মিশ্রণকে বিরঞ্জক
মিশ্রণ বলে
৪. সুইমিং পুলে দুর্গন্ধ দূরীকরণে 10%
NaOCl ব্যবহৃত হয়
৫. উন্নত দেশে ব্লিচিং পাউডারের
পরিবর্তে NaOCl ব্যবহৃত হয়
v. কতিপয় লবণের বর্ণ :
যৌগ বর্ণ
LiCl, NaCl, KNO 3 , Na2 SO 4 , Na 3 PO 4 ,
Na2 CO 3 সাদা
Na2 CrO4 , K 2 Cr2 O 7 কমলা
KMnO 4 গোলাপী/ বেগুনি
v. ভৌত ধর্মাবলী :
১. প্রকৃতি : গ্রুপ I এর অন্তর্ভুক্ত সকল
মৌলই ধাতু
২. বর্ণ : এ ধাতুগুলো দেখতে রূপার মত
সাদা। তবে বায়ুতে রাখলে সাদা রং
নষ্ট হয়ে যায়।
৩. ধাতব বন্ধন প্রকৃতি : গ্রুপ I মৌলের
পরমাণুর বহিঃস্তরে একটি মাত্র
যোজ্যতা ইলেক্ট্রন(ns 1 ) থাকায় এরা
দুর্বল ধাতব বন্ধন গঠন করে। গ্রুপ II
মৌলগুলোর বহিঃস্তরের শেলে দুটি
ইলেক্ট্রন (ns 2 ) আছে বলে এসব ধাতুতে
ধাতব বন্ধন তুলনামূলক দৃঢ় হয়।
৪. নমনীয়তা : ধাতব বন্ধন দুর্বল হওয়ায় এ
ধাতুগুলো নরম; এতই নরম যে ছুরি দিয়ে
কাটা যায়।
৫. পারমাণবিক ও আয়নিক আকার :
সাধারণত পর্যায় সারণীর যে কোন
গ্রুপের উপর থেকে নিচের দিকে
ক্রমান্বয়ে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি
পায়।
৬. ঘনত্ব : গ্রুপ I-র ধাতুগুলোর
পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে
সাথে ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। যদিও
সোডিয়ামের চেয়ে পটাশিয়াম
হালকা। গ্রুপ II-র ক্ষেত্রে Be থেকে Ca
পযন্ত প্রথমে ঘনত্ব কমে এবং তারপর Ra
পযন্ত মান পরমাণুর ক্রমাঙ্কের সাথে
বৃদ্ধি পেতে থাকে।
৭. গলনাংক ও স্ফুটনাংক : ক্ষার
ধাতুগুলোর গলনাংক ও স্ফুটনাংক
পারমাণবিক সংখ্যার সঙ্গে সঙ্গে
ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে থাকে। যেমন-
Li থেকে Cs পযন্ত গলনাংক 180ᵒC থেকে
28ᵒC এবং স্ফুটনাংক 1330ᵒC থেকে
690ᵒC হ্রাস পায়।
৮. আয়নিকরণ শক্তি : গ্রুপ I ও II
মৌলসমূহের ক্ষেত্রে যতই নিচের
দিকে যাওয়া যায় ততই মৌলসমূহ সক্রিয়
হয়।
৯. রাসায়নিক সক্রিয়তা : গ্রুপ IA ও IIA
মৌলসমূহের ক্ষেত্রে যতই নিচের দিকে
যাওয়া যায় ততই মৌলসমূহ সক্রিয় হয়।
১০. সক্রিয়তা ক্রম :
Cs > Rb > K > Na > Li
Ba > Ra > Ca > Mg > Be
v. কিছু গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন প্রণালী :
Na ধাতু নিষ্কাশন ১. ডাউন প্রণালী
২. কাস্টনার প্রণালী
NaOH উৎপাদন
১. Na2 CO 3 হতে ক্ষারীকরণ পদ্ধতি
২. গাঢ় NaCl হতে তড়িৎ বিশ্লেষণ
পদ্ধতি
Na2 CO 3 উৎপাদন ১. সলভে পদ্ধতি
২. লে-ব্ল্যাংক পদ্ধতি
৩. বৈদ্যুতিক পদ্ধতি
Na ক্লোরেট বা Na হাইপোক্লোরেট
উৎপাদন
(i) 2NaOH+Cl 2 →2NaOCl+H 2 O
(ii) NaCl(aq)+[O] NaOCl(aq)
(iii) 2NaOH(aq)+Cl 2 (g)→NaCl+NaOCl+H 2 O
v. NaOCl-র ধর্ম :
১. সোডিয়াম হাইপোক্রোরাইট তেমন
সুস্থিত নয়। অল্প তাপে ভেঙে গিয়ে
ক্লোরেট ও ক্লোরাইড রূপান্তরিত হয়।
3NaOCl NaClO 3 +2NaCl
এ জন্যই এটি প্রস্তুতের সময় শীতল দ্রবণ
ব্যবহার করা হয়।
২. একটি শক্তিশালী জারক।
NaOCl→NaCl+[O]
ব্লিচিং পাউডার : ক্যালসিয়াম
ক্লোরো হাইপোক্লোরাইটকে [Ca
(OCl)Cl] ব্লিচিং পাউডার বলে। 40ᵒC
উষ্ণতায় উত্তপ্ত শুষ্ক কলিচুনের মধ্যে
ক্লোরিন চালনা করলে ব্লিচিং
পাউডার উৎপন্ন হয়।
Ca(OH) 2 +Cl 2 →Ca(OCl)Cl+H 2 O
v. সলভে পদ্ধতি বা সোডা পদ্ধতি :
মূলনীতি : এ পদ্ধতিতে NaCl থেকে
সোডা অ্যাশ (Na 2 CO 3 ) প্রস্তুত করা হয়।
গাঢ় NaCl দ্রবণকে প্রথমে NH 3 গ্যাস
দ্বারা সম্পৃক্ত করা হয় এবং পরে এতে
CO 2 গ্যাস চালনা করলে NH 4 HCO3
উৎপন্ন হয়। শেষে NH4 HCO3 এবং NaCl
পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে কম
দ্রবণীয় NaHCO3 ও NaCl উৎপন্ন করে।
অধঃক্ষিপ্ত NaHCO3 -কে ছেঁকে 180ᵒC এ
ভস্মীভূত করলে এটি বিয়োজিত হয়ে
Na2 CO 3 -এ পরিণত হয়।
NH 3 +H 2 O → NH 4 OH
2NH 4 OH+CO 2 →
(NH 4 ) 2 CO 3 +H 2 O
(NH 4 ) 2 CO 3 +CO 2 +H 2 O →
2NH 4 HCO3
NaCl+NH 4 HCO3 ⇋
NaHCO3 +NH 4 Cl
2NaHCO 3 Na 2 CO 3 +H 2 O
+CO 2
প্রয়োজনীয় কাঁচামাল :
১. ব্রাইন
২. NH 3
৩. চুনাপাথর

Expressions relating to physical & mental condition (শারীরিক এবং মানসিক অবস্থা প্রকাশক অভিব্যক্তি)


উৎস: MASTER MINI-BOOK by Md. Jahangir Alam 
1. I feel giddy (গিডি)/dizzy. (আমার মাথা ঘুরছে)
2. I've a bad/splitting headache (হেডেক)
(আমার খুব মাথা ধরেছে/খুব/তীব্র মাথাব্যথা করছে)
3. I've caught (a) cold. (আমার ঠাণ্ডা/সর্দি লেগেছে) 
4. I've got a slight fever and a slight headache. 
(আমার হালকা সর্দি-জ্বর হয়েছে)
5. I feel feverish today. (আজকে আনি জ্বরজ্বর বোধ করছি/আমার জ্বরজ্বর লাগছে) 
6. He's had severe attack of fever.
(তার প্রচণ্ড জ্বর এসেছে/হয়েছে) 
7. He is laid up with fever. (সে জ্বরে শয্যাগত) 
8. The fever is still on him./He's still running temperature. (তার গায়ে এখনো জ্বর আছে/তার জ্বর এখনো ছাড়েনি/নামেনি)
9. His fever is off. (তার জ্বর ছেড়েছে/নেমে গেছে)
10. I feel out of sorts (unwell/slightly ill) today. 
(আজ আমার গা ম্যাজ-ম্যাজ করছে/আমি অসুস্থতা বোধ করছি)
11. I am under the weather. (আমি অসুস্থ) 
12. I feel drowsy (ড্রাউজি)/sleepy. 
(আমার ঘুমঘুম/ঝিমানো ঝিমানো ভাব হচ্ছে)
13. I feel hungry/thirsty. (আমার ক্ষুধা/তৃষ্ণা লেগেছে) 
14. I feel a little chilly. (আমার একটু শীতশীত লাগছে)
15. I feel nausea. (আমার বমিবমি লাগছে)
16. I've a gripping pain in the stomach. 
(আমার পেট কামড়াচ্ছে)
17. His bowels are out of order. 
(তার পেটের অসুখ হয়েছে)
18. I'm suffering from indigestion.
(আমি বদহজমে ভুগছি)
I'm suffering from rheumatism. (আমি বাতে ভুগছি)
19. I've/he's had four loose motions.
(আমার/তার চারবার পাতলা পায়খানা হয়েছে) 
20. He's got an inflammation of the eyes./ He's suffering from opthalmia/conjunctivitis. 
(তার চোখ উঠেছে)
21. There's pain all over my body. 
(আমার সারা শরীরে ব্যথা)
22. I'm so-so. 
(আমি আছি কোনোরকম/ভালো-মন্দ কোনোটাই নয়)
23. I'm pretty well. (আমি বেশ ভালোই আছি)
24. I'm as before. (আগের মতই আছি)
25. I'm/I feel worse (ওয়াস/চ).
(আগের চেয়ে খারাপ আছি)
26. I'm/I'm feeling better. (আগের চেয়ে ভালো আছি)
27. I'm better/comparatively well today.
(আজ অনেকটা ভালো আছি)
28. I feel much better today.
(আমি আজ বেশ ভালো বোধ করছি)
29. I feel somewhat better.
(আমি কিছুটা ভালো বোধ করছি) 
30. Today I feel depressed./I'm not in my humour today. (আজ আমার মন ভালো নেই)
31. He's in a good humour. (সে বেশ ফূর্তিতে আছে)
32 He is in high spirits. (সে খোশমেজাজে আছে)
33. He is in a temper/out of his temper today
(আজ তার মেজাজ গরম)
34. He is off/out of his head. (তার মাথা খারাপ হয়েছে) 
35. You look rather gloomy. 
(তোমার মনটা ভার মনে হচ্ছে/তোমাকে একটু বিষন্ন লাগছে)
36. He is out of danger/out of woods.
(সে এখন বিপদমুক্ত) 
জনস্বার্থে : মাস্টার জাহাঙ্গীর আলম

Hsc chemistry 1st (Quantum number)


কোয়ান্টাম সংখ্যা
সংজ্ঞা - পরমাণুতে অবস্থিত ইলেকট্রনের শক্তিস্তরের আকার, আকৃতি, ত্রিমাতৃক বিন্যাস প্রকরণ এবং আবর্তনের দিক প্রকাশক সংখ্যা সমূহকে কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে।

প্রকারভেদঃ- কোয়ান্টাম সংখ্যাকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে 
১) প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা,
২) সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা,
৩) ম্যাগনেটিক কোয়ান্টাম সংখ্যা,
৪) স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা,

১) প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যাঃ- যে কোয়ান্টাম সংখ্যার সাহায্যে পরমাণুতে অবস্থিত ইলেকট্রনের শক্তিস্তরের আকার নির্নয় করা যায় তাকে প্রধাণ কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে। 
প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যাকে n দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যেমনঃ- n=1,2,3,4,5 ইত্যাদি ।

২) সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যাঃ- যে কোয়ান্টাম সংখ্যার সাহায্যে শক্তিস্তরের আকৃতি নির্নয় করা যায় তাকে সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে।
একে l দ্বারা প্রকাশ করা হয়। l = 0 ~ (n-1). সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যার উপর নির্ভরশীল।

৩) ম্যাগনেটিক কোয়ান্টাম সংখ্যাঃ- যে সকল সংখ্যার সাহায্যে ইলেকট্রনের কক্ষপথের ত্রিমাতৃক দিক বিন্যাস প্রকরন সমূহ প্রকাশ করা হয় তাকে ম্যাগনেটিক কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে।
একে m দ্বারা প্রকাশ করা হয় । m = 0 ~ l

৪) স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যাঃ- নিজস্ব অক্ষের চারদিকে ইলেকট্রনের ঘুর্ননের দিক প্রকাশক সংখ্যা সমূহকে স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে।
একে S দ্বারা প্রকাশ করা হয়। s = + , -

Wednesday, 13 May 2020

Jsc online exam for preparation. Time 30 minute


Sunday, 10 May 2020

পদার্থবিজ্ঞান তৃতীয় অধ্যায়। বল (force)

প্রিয় শিক্ষার্থীরা তোমাদের অনুশীলন করার জন্য পদার্থবিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় এর কিছু প্রশ্ন তুলে ধরা হলো।
 

write a letter to your friend thanking him for his hospitality. thanking him for the birthday present.

1. Suppose your friend Rashid resides in Bogra. You had stayed at their residence for a few days during your last visit to dhaka. He helped you in visiting many places or things. His sister Rina entertained you very cordially. Now write a letter to your friend thanking him for his hospitality. 
22 April, 2013 
Sripur, Bogra 
Dear Rashid, 
I hope that you are well . I am also fine. I had stayed at your 
residence for a few days during your last visit to Dhaka. You helped 
me in visiting many places or things. Your sister Rina entertained me 
very cordially. Thank you for your hospitality. I had an interesing 
time in your residence. I will never forget of it. On my return home, I 
still remember the affection which was given to me by all of your 
family. I told my parents of it. 
With best wishes to you. 
Your loving friend 
Mitu 
2. Suppose you invited your friend, Rabby, to your birthday party. He could not attend but sent a gift for you. Now, write a letter thanking him for the birthday present. 
22 Aprill 2013 
Tongi, Gazipur 
Dear Rabby, 
I would get a great pleasure if you joined to my birthday party. I know you could not attend because of your illness. But you sent a gift for me . Many thanks for a nice present. Thecamera is very beautiful. I have got a lot of presents on the day. But yours one is the best of all.
No more today. With best wishes to you. 
Your loving friend 
Nurunnahar Mitu

Tuesday, 5 May 2020

HSC এর ICT বই থেকে ২৩৫ টি গুরুপ্তপূর্ন প্রশ্নোওর:


১) তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক – ডেটা
২) ডেটা শব্দের অর্থ – ফ্যাক্ট
৩) বিশেষ প্রেক্ষিতে ডেটাকে অর্থবহ করাই – ইনফরমেশন
৪) তথ্য=উপাত্ত+প্রেক্ষিত+অর্থ
৫) তথ্য বিতরণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের সাথে যুক্ত – তথ্য প্রযুক্তি
৬) ICT in Education Program প্রকাশ করে – UNESCO
৭) কম্পিউটারের ভেতর আছে – অসংখ্য বর্তনী
৮) তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উৎপাদন করে – কম্পিউটার
৯) কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে – ৪টি
১০) মনো এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৪৬ সালে
১১) স্টেরিও এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৬০ সালে
১২) সারাবিশ্বে এফএম ফ্রিকুয়েন্সি 88.5-108.0 Hz
১৩) Radio Communication System এ ব্রডকাস্টিং – ৩ ধরণের
১৪) PAL এর পূর্ণরূপ – Phase Alternation by Line
১৫) দেশে বেসরকারি চ্যানেল -৪১টি
১৬) পৃথিবীর বৃহত্তম নেটওয়ার্ক – ইন্টারনেট
১৭) ইন্টারনেট চালু হয় – ARPANET দিয়ে (১৯৬৯)
১৮) ARPANET চালু করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ
১৯) ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয় – ১৯৮২ সালে
২০) ARPANETএ TCP/IP চালু হয় – ১৯৮৩ সালে
২১) NSFNET প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৮৬ সালে
২২) ARPANET বন্ধ হয় – ১৯৯০ সালে
২৩) সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত হয় – ১৯৮৯ সালে
২৪) ISOC প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৯২ সালে
২৫) বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৫কোটি ২২লাখ (৩২%)
২৬) ইন্টারনেটের পরীক্ষামূলক পর্যায় ১৯৬৯-১৯৮৩
২৭) টিভি – একমূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা
২৮) “Global Village” ও “The Medium is the Message” এর উদ্ভাবক – মার্শাল ম্যাকলুহান (১৯১১-১৯৮০)
২৯) The Gutenberg : The Making Typographic Man প্রকাশিত হয় – ১৯৬২ সালে
৩০) Understanding Media প্রকাশিত হয় – ১৯৬৪ সালে
৩১) বিশ্বগ্রামের মূলভিত্তি – নিরাপদ তথ্য আদান প্রদান
৩২) বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড – কানেকটিভিটি
৩৩) কম্পিউটার দিয়ে গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তগ্রহণমূলক কাজ করা যায়
৩৪) বর্তমান বিশ্বের জ্ঞানের প্রধান ভান্ডার – ওয়েবসাইট
৩৫) EHRএর পূর্ণরুপ – Electronic Heath Records
৩৬) অফিসের সার্বিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করাকে বলে – অফিস অটোমেশন
৩৭) IT+Entertainment = Xbox
৩৮) IT+Telecommunication = iPod
৩৯) IT+Consumer Electronics= Vaio
৪০) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে – ৫ম প্রজন্মের কম্পিউটারে
৪১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করা হয় – প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
৪২।রোবটের উপাদান- Power System, Actuator, Sensor, Manipulation
৪৩।PCB এর পূর্ণরূপ – Printed Circuit Board
৪৪।খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ সালে ত্বকের চিকিৎসায় শীতল তাপমাত্রা ব্যবহার করতো – মিশরীয়রা
৪৫।নেপোলিয়নের চিকিৎসক ছিলেন – ডমিনিক জ্যা ল্যারি
৪৬।মহাশূন্যে প্রেরিত প্রথম উপগ্রহ – স্পুটনিক-১
৪৭।চাঁদে প্রথম মানুষ পৌঁছে – ২০জুলাই, ১৯৬৯ সালে
৪৮।MRP এর পূর্ণরুপ – Manufacturing Resource Planning
৪৯।UAV উড়তে সক্ষম ১০০ কি.মি. পর্যন্ত
৫০।GPS এর পূর্ণরুপ – Global Positioning System
৫১।ব্যক্তি সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয় – বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
৫২।হ্যান্ড জিওমেট্রি রিডার পরিমাপ করতে পারে – ৩১০০০+ পয়েন্ট
৫৩।আইরিস সনাক্তকরণ পদ্ধতিতে সময় লাগে – ১০-১৫ সেকেন্ড
৫৪।Bioinformatics শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Paulien Hogeweg
৫৫।Bioinformatics এর জনক – Margaret Oakley Dayhaff
৫৬।এক সেট পূর্নাঙ্গ জীনকে বলা হয় – জিনোম
৫৭।Genetic Engineering শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Jack Williamson l
৫৮। রিকম্বিনান্ট ডিএনএ তৈরি করেন – Paul Berg(1972)
৫৯।বিশ্বের প্রথম ট্রান্সজেনিক প্রাণি- ইঁদুর(1974)
৬০।বিশ্বের প্রথম Genetic Engineering Company – Genetech(1976)
৬১।GMO এর পূর্ণরুপ – Genetically Modified Organism
৬২।পারমানবিক বা আনবিক মাত্রার কার্যক্ষম কৌশল – ন্যানোটেকনোলজি
৬৩।অনুর গঠন দেখা যায় – স্ক্যানিং টানেলিং মাইক্রোস্কোপে
৬৪।Computer Ethics Institute এর নির্দেশনা – ১০টি
৬৫।ব্রেইল ছাড়া অন্ধদের পড়ার পদ্ধতি – Screen Magnification / Screen Reading Software
৬৬।যোগাযোগ প্রক্রিয়ার মৌলিক উপাদান – ৫টি
৬৭।ট্রান্সমিশন স্পিডকে বলা হয় – Bandwidth
৬৮।Bandwidth মাপা হয় – bps এ
৬৯।ন্যারো ব্যান্ডের গতি 45-300 bps
৭০।ভয়েস ব্যান্ডের গতি 9600 bps
৭১।ব্রডব্যান্ডের গতি- 1 Mbps
৭২।ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশন- এসিনক্রোনাস
৭৩।সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে প্রতি ব্লকে ক্যারেক্টার ৮০-১৩২টি
৭৪।ডাটা ট্রান্সমিশন মোড- ৩ প্রকার
৭৫।একদিকে ডাটা প্রেরণ- সিমপ্লেক্স মোড
৭৬।উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ, তবে এক সাথে নয়- হাফ ডুপ্লেক্স মোড
৭৭।একই সাথে উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ – ফুল ডুপ্লেক্স মোড
৭৮।ক্যাবল তৈরি হয়- পরাবৈদ্যুতিক(Di
electric) পদার্থ দ্বারা
৭৯।Co-axial Cable এ গতি 200 Mbps পর্যন্ত
৮০।Twisted Pair Cable এ তার থাকে- 4 জোড়া
৮১।Fiber Optic- Light signal ট্রান্সমিট করে
৮২।মাইক্রোওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 300 MHz – 30 GHz
৮৩।কৃত্রিম উপগ্রহের উদ্ভব ঘটে- ১৯৫০ এর দশকে
৮৪।Geosynchronous Satellite স্থাপিত হয়- ১৯৬০ এর দশকে
৮৫।কৃত্রিম উপগ্রহ থাকে ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৩৬০০০ কি.মি. উর্ধ্বে
৮৬।Bluetooth এর রেঞ্জ 10 -100 Meter
৮৭।Wi-fi এর পূর্ণরুপ- Wireless Fidelity
৮৮।Wi-fi এর গতি- 54 Mbps
৮৯।WiMax শব্দটি চালু হয়- ২০০১ সালে
৯০।WiMax এর পূর্ণরুপ- Worlwide Interoperabilty for Microwave Access
৯১।৪র্থ প্রজন্মের প্রযুক্তি- WiMax
৯২।WiMax এর গতি- 75 Mbps
৯৩।FDMA = Frequency Division Multiple Access
৯৪।CDMA = Code Division Multiple Access
৯৫।মোবাইলের মূল অংশ- ৩টি
৯৬।SIM = Subscriber Identity Module
৯৭।GSM = Global System for Mobile Communication
৯৮।GSM প্রথম নামকরণ করা হয়- ১৯৮২ সালে
৯৯।GSM এর চ্যানেল- ১২৪টি (প্রতিটি 200 KHz)
১০০।GSM এ ব্যবহৃত ফ্রিকুয়েন্সি- 4 ধরনের
১০১.GSM ব্যবহৃত হয় ২১৮টি দেশে
১০২.GSM 3G এর জন্য প্রযোজ্য
১০৩.GSM এ বিদ্যুৎ খরচ গড়ে ২ওয়াট
১০৪.CDMA আবিষ্কার করে Qualcom(১৯৯৫)
১০৫.রেডিও ওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 10 KHz-1GHz
১০৬.রেডিও ওয়েভের গতি 24Kbps
১০৭.CDMA 3G তে পা রাখে ১৯৯৯ সালে
১০৮.CDMA ডাটা প্রদান করে স্প্রেড স্পেকট্রামে
১০৯.1G AMPS চালু করা হয় ১৯৮৩ সালে উত্তর আমেরিকায়
১১০.সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয় 2G তে
১১১.MMS ও SMS চালু হয় 2G তে
১১২.3G চালু হয় ১৯৯২ সালে
১১৩.3G এর ব্যান্ডউইথ 2MHz
১১৪.3G Mobile প্রথম ব্যবহার করে জাপানের NTT Docomo (২০০১)
১১৫.4G এর প্রধান বৈশিষ্ট্য IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার
১১৬.4G এর গতি 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ বেশি
১১৭.4G এর প্রকৃত ব্যান্ডউইথ 10Mbps
১১৮.টার্মিনাল দুই ধরনের
১১৯.ভৌগলিকভাবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক- ৪ ধরনের
১২০.PAN সীমাবদ্ধ ১০ মিটারের মধ্যে
১২১.PAN এর ধারণা দেন থমাস জিমারম্যান
১২২.LAN সীমাবদ্ধ ১০ কিলোমিটারের মধ্যে
১২৩.LAN এ ব্যবহৃত হয় Co-axial Cable
১২৪.কেবল টিভি নেটওয়ার্ক- MAN
১২৫.NIC=Network Interface Card
১২৬.NIC কার্ডের কোডে বিট সংখ্যা-48
১২৭.মডেম দুই ধরনের
১২৮.Hub হল দুইয়ের অধিক পোর্টযুক্ত রিপিটার
১২৯.স্বনামধন্য রাউটার কোম্পানি- Cisco
১৩০.ব্রিজ প্রধানত ৩ প্রকার
১৩১.নেটওয়ার্কে PC যে বিন্দুতে যুক্ত থাকে, তাকে নোড বলে।
১৩২.Office Management-এ ব্যবহৃত হয়- Tree Topology
১৩৩.বানিজ্যিকভাবে Cloud Computing শুরু করে- আমাজন (২০০৬)
১৩৪.Cloud Computing এর বৈশিষ্ট্য- ৩টি
১৩৫.সংখ্যা পদ্ধতিরর প্রতীক- অংক
১৩৬.সংখ্যা পদ্ধতি দুই ধরণের
১৩৭.Positional সংখ্যা পদ্ধতিরর জন্য প্রয়োজন- 3টি ডাটা
১৩৮.সংখ্যাকে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশে ভাগ করা হয় Radix Point দিয়ে
১৩৯.Bit এর পূর্ণরুপ- Binary Digit
১৪০.Digital Computerএর মৌলিক একক- Bit
১৪১.সরলতম গণনা পদ্ধতি- বাইনারী পদ্ধতি
১৪২. “O” এর লজিক লেভেল : 0 Volt থেকে +0.8 Volt পর্যন্ত
১৪৩. “1” এর লজিক লেভেল : +2 Volt থেকে +5 Volt পর্যন্ত
১৪৪.Digital Device কাজ করে- Binary মোডে
১৪৫.n বিটের মান 2^n টি
১৪৬.BCD Code = Binary Coded Decimal Code
১৪৭.ASCII=American Standard Code for Information Interchange
১৪৮.ASCII উদ্ভাবন করেন- রবার্ট বিমার (১৯৬৫)
১৪৯.ASCII কোডে বিট সংখ্যা- ৭টি
১৫০.EBCDIC=Extended Binary Coded Decimal Information Code
১৫১.Unicode উদ্ভাবন করে Apple and Xerox Corporation (1991)
১৫২.Unicode বিট সংখ্যা- 2 Byte
১৫৩.Unicode এর ১ম 256 টি কোড ASCII কোডের অনুরুপ
১৫৪.Unicode এর চিহ্নিত চিহ্ন- ৬৫,৫৩৬টি (2^10)
১৫৫.ASCII এর বিট সংখ্যা- 1 Byte
১৫৬.বুলিয়ান এলজেবরার প্রবর্তক- জর্জ বুলি (১৮৪৭)
১৫৭.বুলিয়ান যোগকে বলে- Logical Addition
১৫৮.Dual Principle মেনে চলে- “and” ও “OR”
১৫৯.এক বা একাধিক চলক থাকে Logic Function এ
১৬০.Logic Function এ চলকের বিভিন্ন মান- Input
১৬১.Logic Function এর মান বা ফলাফল- Output
১৬২.বুলিয়ান উপপাদ্য প্রমাণ করা যায়- ট্রুথটেবিল দিয়ে
১৬৩.Digital Electronic Circuit হলো- Logic Gate
১৬৪.মৌলিক Logic Gate – ৩টি (OR, AND, NOT)
১৬৫.সার্বজনীন গেইট- ২টি (NAND,NOR)
১৬৬.বিশেষ গেইট- X-OR,X-NOR
১৬৭.Encoder এ 2^nটি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট হয়
১৬৮.Decoder এ nটি ইনপুট থেকে 2^nটি আউটপুট দেয়
১৬৯.Half Adder এ Sum ও Carry থাকে
১৭০.Full Adder এ ১টি Sum ও ২টি Carry থাকে
১৭১.একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ হলো- রেজিস্ট্রার
১৭২.Input pulse গুনতে পারে- Counter
১৭৩.Web page তৈরি করা হয়- HTML দ্বারা
১৭৪.ছবির ফাইল-. jpg/.jpeg/.bmp
১৭৫.ভিডিও ফাইল-.mov/.mpeg/mp4
১৭৬.অডিও ফাইল- mp3
১৭৭.ওয়েবসাইটকে দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যবহৃত হয়-.css
১৭৮.বর্তমানে চালু আছে- IPV4
১৭৯.IPV4 প্রকাশে প্রয়োজন- 32bit
১৮০.IP address এর Alphanumeric address- DNS
১৮১.সারাবিশ্বের ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে- InterNIC
১৮২.জেনেরিক টাইপ ডোমেইন- টপ লেভেল ডোমেইন
১৮৩.http = hyper text transfer protocol
১৮৪.URL = Uniform Resource Locator
১৮৫.HTML আবিষ্কার করেন- টিম বার্নার লী(১৯৯০)
১৮৬.HTML তৈরি করে W3C
১৮৭.ওয়েব ডিজাইনের মূল কাজ- টেমপ্লেট তৈরি করা
১৮৮.প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা- ৫স্তর বিশিষ্ট
১৮৯.Machine Language(1G)-1945
১৯০.Assembly Language(2G)-1950
১৯১.High Level Language(3G)-1960
১৯২.Very High Level Language(4G)-1970
১৯৩.Natural Language(5G)-1980
১৯৪.লো লেভেল vaSha-1G,2G
১৯৫.বিভিন্ন সাংকেতিক এড্রেস থাকে- লেভেলে
১৯৬.C Language তৈরি করেন- ডেনিস রিচি(১৯৭০)
১৯৭.C++ তৈরি করেন- Bijarne Stroustrup(১৯৮০)
১৯৮.Visual Basic শেষবার প্রকাশিত হয়- ১৯৯৮ সালে
১৯৯.Java ডিজাইন করে- Sun Micro System
২০০.ALGOL এর উদ্ভাবন ঘটে- ১৯৫৮ সালে
২০১.Fortran তৈরি করেন- জন বাকাস(১৯৫০)
২০২.Python তৈরি করেন- গুইডো ভ্যান রোসাম(১৯৯১)
২০৩.4G এর ভাষা- Intellect,SQL
২০৪.Pseudo Code- ছদ্ম কোড
২০৫.Visual Programming- Event Driven
২০৬.C Language এসেছে BCPL থেকে
২০৭.Turbo C তৈরি করে- Borland Company
২০৮.C ভাষার দরকারী Header ফাইল- stdio.h
২০৯.C এর অত্যাবশ্যকীয় অংশ- main () Function
২১০.ANSI C ভাষা সমর্থন করে- 4 শ্রেণির ডাটা
২১১.ANCI C তে কী-ওয়ার্ড- 47 টি
২১২.ANSI C++ এ কী-ওয়ার্ড- 63 টি
২১৩.ডাটাবেজের ভিত্তি- ফিল্ড
২১৪.Database Modelএর ধারণা দেন- E.F.Codd (১৯৭০)
২১৫.সবচেয়ে জনপ্রিয় Query- Selec Query
২১৬.SQL = Structured Query Language
২১৭.SQL তৈরি করে- IBM(১৯৭৪)
২১৮.ERP = Enterprise Resource Planning
২১৯.বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়- ২১ মে, ২০০৬
২২০.MIS = Management Information System
২২১।ভুয়া মেইল জমার স্থান- Spam
২২২।CD= Compact Disk
২২৩।MS Excel হলো Spreadsheet Software
২২৪।বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হয়- ১৯৯৬ সালে
২২৫।বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার- ENIAC
২২৬।ল্যাপটপ প্রথম বাজারে আসে-১৯৮১ সালে
২২৭।ROM=Read Only Memory
২২৮।বর্তমান প্রজন্ম- 4G
২২৯।টুইটারের জনক- জ্যাক ডরসি
২৩০। MODEM এ আছে – Modulator + Demodulator
২৩১।UNIX হলো Operating System
২৩২।CPU= Central Processing Unit
২৩৩।IC দিয়ে তৈরি প্রথম কম্পিউটার- IBM360
২৩৪।ডিজিটাল কম্পিউটারের সূক্ষতা ১০০%
২৩৫।১ম প্রোগ্রামার- লেডি অগাস্টা

এক নজরে জ্যামিতির সকল সংজ্ঞা।


❑ সূক্ষ্মকোণ (Acute angle) : এক সমকোণ (90) অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।
❑ সমকোণ (Right angle) : একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। এক সমকোণ=90
❑ স্থূলকোণ (Obtuse angle) : এক সমকোণ অপেক্ষা বড় বিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে সথূলকোণ বলে।
❑ প্রবৃদ্ধকোণ (Reflex angle) : দুই সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ
অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবদ্ধ কোণ বলে। অর্থাৎ 360 > x 180 হলে x একটি প্রবৃদ্ধ
কোণ।
❑ সরলকোণ (Straight angle) : দু’টি সরল রেখাপরস্পর সম্পর্ণ বিপরীত দিকে গমন করলে রেখাটির দু’পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে সরলকোণ বলে। সরলকোণ
দুই সমকোণের সমান বা 180
❑ বিপ্রতীপকোণ (Vertically Opposite angle ) : দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের যেকোণ একটিকেতার বিপরীত কোণের
বিপ্রতীপ কোণ বলে।
❑ সম্পূরককোণ(Supplementary angle ) : দু’টি কোণের সমষ্টি 180 বা দুইসমকোণ হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
❑ পূরককোণ (Complementary angle) : দু’টি কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90 হলেএকটিকেঅপরটির পূরক কোণ বলে।
❑ একাস্তরকোণ: দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে একান্তর কোণ বলে। একান্তর কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।
❑ অনুরূপকোণ: দু’টি সমান্তরাল সরল রেখাকে অপর একটি সরল রেখা ছেদ করলে ছেদকের একই পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তকে অনুরূপ কোণ বলে। অনুরূপ কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।
❑ সন্নিহিতকোণ: যদি দু’টি কোণের একটি সাধারণ বাহু থাকে তবে একটি কোণের অপর কোণের সন্নিহিত কোণ বলে।
❑ ত্রিভূজ (Triangle): তিনটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে ত্রিভূজ বলে।
❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Acute angle triangle ) : যে ত্রিভূজের তিনটি কোণই এক সমকোণ(90 0 ) এর ছোট তাকে সূক্ষ্মকোণী ত্রিভূজ বলে।
❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Obtuse angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সথূলকোণ বা এক সমকোণ অপেক্ষা বড় তাকে সথূলকোণী ত্রিভূজ বলে। কোণ
ত্রিভূজের একের অধিক সথূলকোণ থাকতে পারে না।
❑ সমকোণী ত্রিভূজ (Right angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সমকোণ
তাকে সমকোণী ত্রিভূজ বলে। কোন ত্রিভূজে একটির অধিক সমকোণ থাকতে পারে না। সমকোণী ত্রিভূজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভূজ এবং সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের একটিকে ভূমি এবং অপরটিকে লম্ব বলা হয়।
❑ লম্বকেন্দ্র
ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুগুলির উপর তিনটি লম্ব সমবিন্দুগামী, এবং বিন্দুটির নাম লম্বকেন্দ্র(orthocenter)
❑ পরিবৃত্ত: তিনটি শীর্ষবিন্দু যোগ করে যেমন একটিমাত্র ত্রিভুজ হয় তেমনি তিনটি বিন্দু (শীর্ষ)গামী বৃত্তও একটিই, এর নাম পরিবৃত্ত।
❑ পরিকেন্দ্র: পরিবৃত্তের কেন্দ্র (যে বিন্দু ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় থেকে সমদূরত্বে স্থিত)।
❑ চতুর্ভুজ: চারটি রেখাংশ দিয়ে সীমাবদ্ধ সরলরৈখিক ক্ষেত্রের সীমারেখাকে চতুর্ভুজ বলে।
বিকল্প সংজ্ঞা: চারটি রেখাংশ দিয়ে আবদ্ধ চিত্রকে চতুর্ভুজ বলে।চিত্রে কখগঘ একটি চতুর্ভুজ।
❑ কর্ণঃ চতুর্ভুজের বিপরীত শীর্ষ বিন্দুগুলোর দিয়ে তৈরি রেখাংশকে কর্ণ বলে। চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি তার পরিসীমার চেয়ে কম।
❑ চতুর্ভুজের বৈশিষ্ট্যঃ চারটি বাহু, চারটি কোন, অন্তর্বর্তী চারটি কোনের সমষ্টি ৩৬০°।
❑ সামান্তরিক: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণগুলো সমান  তাকে সামান্তরিক বলে।
❑ আয়ত: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়ত বলে।
❑ বর্গক্ষেত্র: বর্গক্ষেত্র বলতে ৪টি সমান বাহু বা ভূজ বিশিষ্ট বহুভূজ, তথা চতুর্ভূজকে বোঝায়, যার প্রত্যেকটি অন্তঃস্থ কোণ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রীর সমান।
❑ রম্বসঃ রম্বস এক ধরনের সামান্তরিক যার সবগুলি বাহু সমান কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়।
❑ ট্রাপিজিয়ামঃ যে চতুর্ভুজ এর দুইটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান।
❑ বহুভুজ
(কারনঃ সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ বক্র রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ সীমাবদ্ধ নয়)
যদি বহুভুজের সবগুলি বাহু ও কোণ সমান হয়, তবে সেটিকে সুষম বহুভুজ বলে।
বিপ্রতীপ কোণঃ কোন কোণের বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মি যে কোণ তৈরি করে, তা ঐ কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে ।
❑ গোলকঃ দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি তাদের সাধারণ প্রান্ত বিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে সরল কোণ বলে ।
❑ প্রবৃদ্ধকোণঃ দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে ।
❑ সমান্তরাল রেখাঃ একই সমতলে অবস্থিত দুটি সরল রেখা একে অপরকে ছেদ না করলে, তাদেরকে সমান্তরাল সরল রেখা বলে ।
❑ ছেদকঃ যে সরলরেখা দুই বা ততোধিক সরলরেখাকে ছেদ করে, তাকে ছেদক বলে ।
❑ অন্তঃকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখন্ডকগুলো সমবিন্দু ।ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের অন্তঃকেন্দ্র।
❑ পরিকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের বাহুত্রয়ের লম্বদ্বিখন্ডকত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের পরিকেন্দ্র।
❑ ভরকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণ একটি শীর্ষবিন্দু এবং তার বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে মধ্যমা বলে। ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় সমবিন্দু । ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র।
❑ লম্ববিন্দুঃ ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় হতে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্বত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের লম্ববিন্দু।
❑ সর্বসমঃ দুইটি ক্ষেত্র সর্বসম হবে যদি একটি ক্ষেত্র অন্যটির সাথে সর্বতোভাবে মিলে যায় । সর্বসম বলতে আকার ও আকৃতি সমান বুঝায় ।
❑ বর্গঃ আয়তক্ষেত্রের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান হলে তাকে বর্গ বলে ।
❑ স্পর্শকঃ একটি বৃত্ত ও একটি সরলরেখার যদি একটি ও কেবল ছেদবিন্দু থাকে তবে রেখাটিকে বৃত্তটির একটি স্পর্শক বলা হয় ।
❑ সাধারণ স্পর্শকঃ একটি সরলরেখার যদি দুইটি বৃত্তের স্পর্শক হয়, তবে বৃত্ত দুইটির একটি সাধারণ স্পর্শক বলা হয় ।
❑ আয়তিক ঘনবস্তুঃ তিন জোড়া সমান্তরাল আয়তাকার সমতল বা পৃষ্ট দ্বারা আবদ্ধ ঘনবস্তুকে আয়তিক ঘনবস্তু বলে ।
❑ ঘনকঃ আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান হলে, তাকে ঘনক বলে ।
❑ কোণকঃ কোন সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণ সংলগ্ন যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে ত্রিভুজটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক কোণক বলে ।
❑ সিলিন্ডার বা বেলুনঃএকটি আয়তক্ষেত্রের যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে আয়তক্ষেত্রটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক বেলুন বলে ।
❑বাহু :
❑ ত্রিভুজের বাহু = ৩টি,
❑ চতুর্ভুজের বাহু = ৪টি
❑ বৃত্তের বাহু = নাই,
❑ ঘনকের বাহু = ৮টি
❑ ঘনবস্তুর বাহু = ১২টি
❑ কিছু প্রাসঙ্গিক ইংরেজী শব্দ
Geometry-জ্যামিতি,
Point-বিন্দু্,
Line-রেখা,
Solid-ঘনবস্ত
Angle-কোণ,
Adjacent angle-সন্নিহিত কোণ,
Vertically opposite angles-বিপ্রতীপ
কোন,
Straight angles-সরলরেখা,
Right angle-সমকোণ,
Acute angle সূক্ষকোণ,
Obtuse angle- স্থুলকোণ ,
Reflex angle –প্রবিদ্ধ কোন,
Complementary angle-পূরক কোণ,
Supplementary angle-সম্পুরক কোণ,
Parallel line-সমান্তরাল রেখা,
Transversal-ছেদক,
Alternate angle-একান্তর কোণ,
Corresponding angle-অনুরূপ কোণ,
In-center – অন্ত-কেন্দ্র,
Circumcenter – পরিকেন্দ্র,
Centroid –ভরকেন্দ্র,
Orthocenter- লম্ববিন্দু,
Equilateral triangle-সমবাহু ত্রিভুজ,
Isosceles angle-সমদিবাহু ত্রিভুজ,
Scalene angle –বিষমবাহু ত্রিভুজ,
Right angled triangle- সমকোণী ত্রিভুজ,
Acute angled triangle-সূক্ষকোণী ত্রিভুজ,
Obtuse angled triangle-স্থুলকোণী ত্রিভুজ,
Congruent – সর্বসম,
Equiangular triangles-সদৃশকোণী ত্রিভুজ,
Quadrilateral- চতুভুজ,
Diagonal-কর্ণ,
Parallelogram- সামন্তরিক,
Rectangle-আয়তক্ষেত্র ,
Square-বর্গ, Rhombus-রম্বস

গণিতের ইংরেজী শব্দের অনুবাদঃ

1) absolute – পরম
2) abstract number – শুদ্ধ সংখ্যা
3) addition – যোগ
4) algebra – বীজগণিত
5) aliquot part – একাংশ
6) approximate – আসন্ন, স্থূল
7) approximately – স্থূলতঃ, আসন্ন
8)approximate value – আসন্নমান
9) arithmetic – পাটিগণিত
10) arithmetic series – সমান্তর শ্রেণী
11) average – গড়
12) on an average – গড়ে
13) base (of logarithm) – নিধান
14) binomial – দ্বিপদ
15) by – ভাজিত
16) cardinal – অঙ্কবাচক
17) characteristic (of log) – পূর্ণক
18) coefficient – গুণক
19) combination – সমাবেশ
20) commensurable – প্রমেয়
21) complex – জটিল
22) compound – মিশ্র, যৌগিক
23) compound interest – চক্রবৃদ্ধি
24) concrete number – বদ্ধ সংখ্যা
25) constant – ধ্রুবক
26) co-ordinates – স্থানাংক
27) cube – ঘন, ঘনফল
28) cube root – ঘনমূল
29) cubic – ত্রিঘাত, ঘন
30) decimal – দশমিক
31) denominator – হর
32) difference – অন্তর
33) differential calculus – অন্তরকলন
34) digit – অঙ্ক
35) dimension – মাত্রা
36) dividend – ভাজ্য, লাভাংশ
37) division – ভাগ, হরণ
38) divisor – ভাজক
39) double rule of three – বহুরাশিক
40) duo-decimal – দ্বাদশিক
41) elimination – অপনয়ন
42) equation – সমীকরণ
43) equivalent – তুল্য, সমতুল্য
44) even – জোড়, যুগ্ম, সম
45) evolution – অবঘাতন
46) expansion – বিস্তৃতি
47) exponential theorem – সূচকসূত্র
48) expression – রাশি, রাশিমালা
49) factor – উৎপাদক
50) factorial – গৌণিক
51) formula – সূত্র
52) fraction – ভগ্নাংশ
53) function – অপেক্ষক
54) geometric series – গুণোত্তর শ্রেণী
55) graph – লেখ, লেখচিত্র, চিত্র
56) graphical – লৈখিক
57) harmonic series – বিপরীত শ্রেণী
58) highest common factor (HCF) – গরিষ্ঠ সাধারণ গুণনীয়ক (গসাগু)
59) homogeneous – সমমাত্রা
60) identity – অবেদ
61) imaginary – কল্পিত
62) improper (fraction) – অপ্রকৃত
63) incommensurable – অমেয়
64) indeterminant – অনির্ণেয়
65) index – সূচক
66) infinite, infinity – অসীম, অনন্ত
67) integer – পূর্ণসংখ্যা
68) integral calculus – সমাকলন
69) into (×) – গুণিত
70) inverse ratio – ব্যস্ত অনুপাত
71) involution – উদ্ঘাতন
72) irrational – অমূলদ
73) logarithm – লগারিদম
74) lowest common multiple (LCM) – লঘিষ্ঠসাধারণ গুণিতক (লসাগু)
75) magnitude – মান, পরিমাণ
76) mantissa (of log.) – অংশক
77) maximum – চরম, বৃহত্তম
78) mean – মধ্যক, সমক
79) minimum – অবম, অল্পতম
80) minus – বিযুক্ত
81) mixed (fraction) – মিশ্র
82) multiple – গুণিতক
83) multiplicand – গুণ্য, গুণনীয়
84) multiplication – গুণন, পূরণ
85) multiplier – গূণক
86) negative – ঋণ, নেগেটিভ
87) number – সংখ্যা
88) numerator – লব
89) odd – বিজোড়, অযুগ্ম, বিষম
90) order – ক্রম
91) ordinal – পূরণবাচক
92) ordinate – কোটি
93) percent – শতকরা, প্রতিশত, শতাংশ
94) percentage – শতকরা হার
95) permutation – বিন্যাস
96) plus – যুক্ত
97) positive – ধন, পজিটিভ
98) power – ঘাত
99) practice – চলিত নিয়ম
100) present worth – বর্তমান মূল্য
101) prime – মৌলিক
102) product – গুণফল
103) progression – প্রগতি
104) proper (fraction) – প্রকৃত
105) proportion – সমানুপাত
106) quadratic – দ্বিঘাত
107) quantity – রাশি
108) quotient – ভাগফল
109) rate – দর, হার
110) ratio – অনুপাত
111) rational – মূলদ
112) reciprocal – বিপরীত
113) recurring – আবৃত্ত
114) reduction – লঘুকরণ
115) remainder – অবশিষ্ট, বাকি, শেষ, ভাগশেষ
116) root – মূল
117) rule of three – ত্রৈরাশিক
118) series – শ্রেণী
119) side (of equation) – পক্ষ
120) sign – চিহ্ন
121) significant – সার্থক
122) simple – সরল
123) simplification – সরলীকরণ
124) simultaneous equation – সহসমীকরণ
125) solution – সমাধান
126) square – বর্গ, বর্গফল
127) square root – বর্গমূল
128) subtraction – বিয়োগ, ব্যবকলন
129) sum – যোগফল, সমষ্টি
130) surd – করণী
131) term – পদ, রাশি
132) uniform – সম
133) unit – একক
134) unitary method – ঐকিক নিয়ম
135) unknown quantity – অজ্ঞাত রাশি
136) value – মূল্য, মান
137) variable – চল
138) variation – ভেদ
139) vulgar (fraction) – সামান্য
140) zero – শূন্য

জে এস সি বিজ্ঞান সৃজনশীল অনুশীলন।


নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ

নিচে নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের মধ্যে গঠিত একটি যৌগের সংকেত দেখানো হলোঃ

চিত্র-১: হাইড্রাজোয়িক এসিড

ক. সংকেত কাকে বলে?
খ. NH4+ - কে কেন একটি যৌগমূলক বলা যায়?
গ. প্রদত্ত সংকেতটির পরিমাণগত তাৎপর্য আলোচনা করো।
ঘ. “একটি মৌলের যোজনী এক বা একাধিক হতে পারে” - উক্তিটি প্রদত্ত সংকেতের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

নমুনা উত্তরঃ
ক. কোনো মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের অণুর সংক্ষিপ্ত রূপকে সংকেত বলে।

খ. আমরা জানি, যদি দুই বা ততোধিক মৌলের একাধিক পরমাণু একত্রে সংযুক্ত হয়ে একটি গ্রুপ গঠন করে একটি মাত্র পরমাণুর ন্যায় আচরণ করে তখন ঐ গ্রুপটিকে যৌগমূলক বলা হয়।

এইখানে, NH4+ একটি N ও চারটি H পরমাণু নিয়ে একটি পরমাণু গুচ্ছ গঠন করে যা একটি পরমাণুর মতো আচরণ করে।যেমনঃ এটির অন্য সকল পরমাণুর মতোই একটি যোজনী আছে (এটি একযোজী)। এইছাড়া এটি NH4Cl ও NH4NO3 এর  মতো বিভিন্ন যৌগ গঠনে অন্য পরমাণু বা মূলকের সাথে একটি সাধারণ পরমাণুর মতোই যুক্ত হয়। এইসব কারণে, NH4+ কে একটি যৌগমূলক বলা যায়।

গ. প্রদত্ত সংকেতটির পরিমাণগত তাৎপর্য নিম্নরূপঃ

প্রদত্ত সংকেতটি দ্বারা হাইড্রোজয়িক এসিডের (N3H) একটি অণুকে বুঝায়।

সংকেতটি থেকে বুঝা যায় যে হাইড্রোজয়িক এসিডের একটি অণু তিনটি নাইট্রোজেন ও একটি হাইড্রোজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত।

সংকেতটি থেকে আরও জানা যায় যে হাইড্রোজয়িক এসিডের আণবিক ভর,= (১৪ X ৩)+ (১ X ১)  = ৪৩। এবং এর মধ্যে নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের ভরের অনুপাত = ৪২ : ১।
ঘ. প্রদত্ত সংকেতটির তিনটি নাইট্রোজেনকে আমরা নিম্নোক্তভাবে চিহ্নিত করতে পারিঃ

চিত্র-২: হাইড্রাজোয়িক এসিড

এইখানে, ১ নম্বর নাইট্রোজেনটি একটি হাইড্রোজেনের সাথে একটি হাত দিয়ে এবং ২ নম্বর নাইট্রোজেনের সাথে দুইটি হাত দিয়ে যুক্ত। যেহেতু মৌলের যোজনীকে আমরা এক একটি হাতের সাথে তুলনা করি, সেহেতু আমরা বলতে পারি এখানে ১ নম্বর নাইট্রোজেনের যোজনী ৩ ব্যবহৃত হয়েছে।
২ নম্বর নাইট্রোজেনটি দুইটি হাত দিয়ে ১ নম্বর নাইট্রোজেনের সাথে এবং তিনটি হাত দিয়ে ৩ নম্বর নাইট্রোজেনের সাথে যুক্ত। এর থেকে বলা যায় ২ নম্বর নাইট্রোজেনের যোজনী ৫ ব্যবহৃত হয়েছে।

একইভাবে, ৩ নম্বর নাইট্রোজেনটি তিনটি হাত দিয়ে শুধুমাত্র ২ নম্বর নাইট্রোজেনের সাথে যুক্ত। তাই ৩ নম্বর নাইট্রোজেনের যোজনী ৩ ব্যবহৃত হয়েছে।

তাহলে বলা যায়, উক্ত যৌগে নাইট্রোজেনের দুই রকম যোজনী ব্যবহৃত হয়েছে।যথাঃ ৩ ও ৫।

আবার যেহেতু, উক্ত যৌগের হাইড্রোজেনটি একটি হাত দিয়ে শুধুমাত্র ১ নম্বর নাইট্রোজেনের সাথে যুক্ত, তাই হাইড্রোজেনের যোজনী ১ ব্যবহৃত হয়েছে।

সুতরাং আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি, “একটি মৌলের যোজনী এক বা একাধিক হতে পারে”।

২.কবির তার ছোট ভাইকে নিয়ে এক শীতের সকালে তাদের স্কুল মাঠে দৌড় প্রতিযোগীতা খেলতে গেলো। সে যখন তার ভাইয়ের সাথে কথা বলছিল তখন খেয়াল করল তার কথার প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে। স্কুল বিল্ডিং থেকে ৭৫ মিটার দূরে থাকা অবস্থায় কথা বলার ০.৪০ সেকেন্ড পর প্রতিধ্বনি তার কানে আসছিল। স্কুল বিল্ডিং-এর দিকে এগোতে থাকলে সে একসময় আর প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছিল না। একই রকম শব্দ সে যখন ঐদিন দুপুর বেলা (যখন বায়ু শুষ্ক ও তাপমাত্রা ৩০°সে.ছিল) করল, তখন সকাল বেলা যেখান থেকে প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছিল না,ঠিক সেখান থেকেই প্রতিধ্বনি শুনতে পারলো।

ক. শব্দ উৎপত্তির কারণ কী?
খ. মহাকাশে কোনো রকম বিস্ফোরণ ঘটলে তার শব্দ আমরা শুনতে পাই না কেন?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত দিনে সকাল বেলায় শব্দের বেগ কত ছিল?
ঘ. প্রতিধ্বনি শোনার ব্যাপারে একই জায়গায় কবিরের দুই রকম অভিজ্ঞতা হলো কেন? – বিশ্লেষণ করো।

প্রিয় শিক্ষার্থীরা তোমরা জানো, জাতীয়ভাবে নেয়া পরীক্ষাগুলোতে সৃজনশীল প্রশ্ন কখনও কমন পড়বেনা। এই ক্ষেত্রে তোমাদের দরকার পর্যাপ্ত অনুশীলন। সুতরাং পরীক্ষায় ভাল করতে হলে, এরকম সৃজনশীল প্রশ্নের সমাধান না দেখে নিজেই উত্তর দেয়ার চেষ্টা করো এবং পরে আমাদের দেয়া উত্তরের প্রেক্ষিতে নিজের উত্তরটি যাচাই করো।

Rules of Punctuation - বিরাম চিহ্নের ব্যবহার।


Punctuation হলো একটানা কথা বলতে বলতে আমরা মাঝে মাঝে থেমে যাই, দম নিয়ে থাকি। ঠিক তেমনি কোন কিছহু পড়ার সময় আমাদের মাঝে মাঝে থামতে হয় বা break নিতে হয়। বাক্যের অর্থ সুস্পষ্ট ভাবে বোঝার জন্য বাক্যের কথায় কতটুকু থামতে হবে তার কিছু নিয়ম আছে এবং কতগুলো সাংকেতিক চিহ্নর সাহায্যে নিয়মগুলো প্রকাশ করা হয়। এই সাংকেতিক চিহ্ন গুলো কে punctuation বা punctuation marks বলা হয়।

এই punctuation mark গুলো সঠিক জাগায় সঠিকভাবে ব্যাবহার না হলে বাক্যের অর্থ বা ভাব সঠিক ভাবে বঝা যাবে না। ইংরেজিতে ব্যবহৃত প্রধান punctuation mark গুলো নিম্নরুপঃ

  1. Full Stop [.]
  2. Comma [,]
  3. Semi- Colon [;]
  4. Colon [:]
  5. Question Mark [?]
  6. Exclamation Mark [!]
  7. Quotation Mark ['' '']
  8. Apostrophe [‘]
  9. Hyphen [-]
  10. Dash [—]
  11. Brackets [ () ]

   Use of Full Stop-

  Full Stop দ্বারা সবচেয়ে দীর্ঘ বিরতি বঝায়।
 1.সম্পূর্ণ বিরতি বোঝানোর জন্য। Assertive, Imperative এবং Optative এর শেষে।
 E.g. The girl lives on Elm Street
 The door was closed

  2. সংক্ষিপ্ত বা Abbreviated word ও শব্দের পর বসেঃ
 E.g. B.A. M.A U.S.A Dr. (Doctor)

  Comma (,)

    Comma স্বল্প বিরতি নির্দেশ করে। সাধারণতঃ এক (১) গণনা করতে যে সময় লাগে, Comma ’র বিরতি কাল ততটুকু। বক্তার বক্তব্য সুষ্পষ্ট করতে Comma বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সঠিক স্থানে Comma ব্যবহার না করলে অর্থের তারতম্য ঘটে। এমনকি বক্তব্যের উদ্দেশ্য ব্যহত হয়। যেমন- এখানে থাকবেন না, থাকলে বিপদ হবে। এখানে থাকবেন, না থাকলে বিপদ হবে। নিচে উল্লেখিত ক্ষেত্রে Comma বসে-

  i) দুইয়ের অধিক সমজাতীয় word, phrase বা Clause পাশাপাশি ব্যবহূত হলে প্রত্যেকটির পর Comma (,) বসে এবং শেষ শব্দের পূর্বে and বসে।

  Raju, Robin, Habib and Tushar are going to school.
  There are trees, bushes and flowers in the garden. 
  He lost land, money, reputation and friends.   
  What is wrong, Asad ?
  Note: and এর আগে Comma বসে না।

  ii)However, Moreever, therefore, As a result, Consequently, On the other hand, In the same time, Yet, Still, Otherwise, So, ইত্যাদি Adverb গুলোর পর Comma বসে।

  So, he is a good person. However, he is a nice man.
  On the other hand, Rahul is a thief.   
  After all, he is happy.
  উপর্যুক্ত Adverb গুলোর বাক্যের মাঝে ব্যবহূত হলে এদের আগে ও পরে Comma বসে।

  He, however, is a nice man. He is, therefore, happy here.
  I, therefore, pray and hope that you would be kind enough to grant me 5 days’ leave of absence in advance.

  iii) বাক্যের প্রথমে Adverial clause থাকলে তারপরে comma বসে।
  If you work hard, you will pass in the exam.
  Because of his honesty, he was praised by all.

  iv) একই Word and দ্বারা যুক্ত না করে পুনরুক্ত করতে চাইলে প্রথমে comma বসাতে হয়।
  What is lost, lost it will never come back.

  v) Absolute phrase বা clause কে আলাদা রাখার জন্য উভয় পাশে comma ব্যবহূত হয়।
  This boy, to be truthful, is an honest boy.

  vi) Nominative Absolute ’র পর—
  The sun having set, we reached home.

  vii) একাধিক noun/adjective clause করতে-
  I do not know where he is, when he will come and what his condition is.

  viii) Reporting verb’র পর/Direct Speech-এর আগে Comma বসে।
   He says, ''I am ill.''

  ix) (a) তারিখ ও সন/সাল পাশাপাশি থাকলে তারিখের পর কমা (,) বসে ।
  Mamun was born on January 25, 2002.
  September 30, 2012

   Use of Question Mark

 কোন sentence এ যদি প্রশ্ন বঝানো হয় তাহলে সেই বাক্যের শেষে Question Mark বসবে
 E.g. When are you leaving?

   Use of Exclamation

 বিস্ময় বা আশ্চর্য প্রকাশ করার জন্য Exclamation mark ব্যবহার করা হয়।
 E.g. Alas ! I am free.

  Use of Quotation Mark

 1.বক্তার কোন উক্তিকে অবিকল প্রকাশ করার জন্য
 E.g. Shefali said, '' I will have to go home early today.''
 2. কোন নাম বা শব্দ উদ্বৃত করতে
 E.g. ''Jane Eyre'' is a famous novel by Charlotte Bronte.

  Use of Hyphen

 যৌগিক শব্দের অংশগুলো যোগ করতে Hyphen ব্যবহৃত হয়।
  E.g. Barrister-in-law

  Use of Dash

 চিন্তায় বা ভাব এ আকস্মিক পরিবর্তন বুঝাতে Dash বসে।
 E.g. He sold many things — land, furniture.

  Use of Brackets

 কোন কিছু sentence এর মাঝে sentence এর ধারা অপরিবর্তিত রেখে ব্যাখ্যা দিতে Bracket ব্যবহার হয়।
 E.g. I have lost all ( I had twenty thousand taka with me)

  Use of Apostrophe

 1. Noun সমূহের Possesive case গঠন করতে apostrophe ব্যবহৃত হয়।
 E.g. This is Shameem’s book.
 2. সময় উল্লেখ করতে apostrophe ব্যবহার করতে হয়।
 E.g. It is 4’o clock.
   3. Contraction বা শব্দ সংক্ষেপণ apostrophe এবং দুটি শব্দ কে যুক্ত করতে apostrophe ব্যবহৃত হয়।
 E.g. Don’t touch the wet paint.

ENGLISH_Paragraph_Writing. একের মধ্যে অনেক।


পরীক্ষার হলে প্যারাগ্রাফ কমন না পড়লে কি করবো?শেষ! এ+ মিস! ভয়! টেনশন!
এর জন্য কিছু প্যারাগ্রাফ লেখার সহজ টেকনিক নিয়ে হাজির হলাম। এখানে আমি কিছু প্যারাগ্রাফের নাম দিবো এবং সেই প্যারাগ্রাফ লিখার format দিবো। আপনারা শুধু Format এর খালি ঘরে প্যারাগ্রাফটির নাম মিলিয়ে পড়ে নেবেন।
#Paragraph_Category_1:
1.Value of Time (সময়ের মূল্য)
2.Perseverance (অধ্যবসায়
3.Labour (শ্রম
4.Honest Intention (সৎ উদ্দেশ্য
5.Good Manners (সু-আচরণ)
6.Punctuality (সমানুবর্তিতা)
7.Discipline (শৃঙ্খলা)
8.Dignity Of Labor (শ্রমের মর্যাদা)
9.Honesty (সততা)
10.Moral Courage (মনোবল)
11.Patriotism (স্বদেশ প্রেম)
12.Confidence (আত্মবিশ্বাস)
13.Self-Criticism (আত্ম-সমালোচনা)
14.Education (শিক্ষা)
15.Consciousness (সচেতনতা)
16.Tolerance (সহনশীলতা)
17.Integrity (সাধুতা)
18.Respect (শ্রদ্ধা)
19.Character (চরিত্র)
20.Modesty (বিনয়)
21.Courtesy (শিষ্টাচার)
22.Self-Reliance (আত্ম-নির্ভরশীলতা)
23.Politeness (ভদ্রতা)
24.Truthfulness (সত্যবাদিতা)
25.Dutifullness (কর্তব্যনিষ্ঠা)
26.Struggle (কঠোর চেষ্টা)
28.Common Sence (বিবেক)
29.Sacrifice (ত্যাগ)
#Format:
Everyone wants to be successful in life. This success depends much on _____. It is a great virtue. It is the key to success. The man who acquires this Great virtue can shine in life. The history inspires us to develop this virtue. The life and activities of all great men in the world are associated with this virtue. We can conquer everything in this world with developing this quality. The man who does not achieve this virtue becomes a curse to himself and to his family as well as to society. He leads very miserable life. His life becomes full of sorrows and sufferings. He always lags behind and suffers in long run. In a word, the consequences of not acquiring this virtue are beyond description. People do not love and respect him. On the other hand, he is praised and respected by all if he develops this virtue. Therefore, we all should develop this virtue to be great in life.

Monday, 4 May 2020

Article এর নাড়িভুড়ি।


----A, An, The: Article 
a, an, the এর ব্যাবহার মূলত নির্ভর করে এর পরের nounটির pronunciation (উচ্চারণের) উপর। এগুলোকে
আবার determiner বলা হয়। নিচে a, an, the এর ব্যবহার দেওয়া হলঃ
★★★Article “a” এর ব্যবহার
✬ Consonant sound (a, e, i, o, u বাদে অন্য ইংরেজি বর্ণমালা গুলো consonant sound
প্রকাশ করে) এর পূর্বে article “a” বসে। মনে রাখবেন countable noun এ consonant sound মানে “a”. A baseball, a boy, a car etc.
✬ Vowel দ্বারা শুরু হওয়া শব্দের উচ্চারণ যদি (yu) ইউ এর মত হয় তবে article A বসে। যেমনঃ a university (ইউনিভার্সিটি), a unit, a ewe, a European.
✬ “O” vowel এর উচ্চারণ যদি (wa) ওয়া এর মত হয় তবে article “a” বসে। যেমনঃ A one(ওয়ান), a one-taka note, a one-eyed deer.

★★★Article “an” এর ব্যবহার
✬ Singular countable noun এর প্রথম বর্ণ যদি
vowel (a, e, i, o, u)দ্বারা শুরু হয়। যেমনঃ an ant, an egg, an idiot.
✬ প্রথম বর্ণ consonant দ্বারা শুরু হওয়া স্বত্বেও vowel sound প্রকাশ করলে। an M.A(M:এম-AM), an LLB(L:এল-AL), an SDO(S:
এস-AS) etc.
✬ H দ্বারা শুরু হওয়া শব্দে “h” উচ্চারিত না হয়ে vowel sound উচ্চারিত হলে। যেমনঃ
an hour(আওয়ার), an heir(এয়ার), an honest(অনিষ্ট) man ইত্যাদি।
★★★Article “the” এর ব্যবহার
✬ কোন noun কে নির্দিষ্ট করে বুঝাতে তার পূর্বে definite article “the” বসে। অর্থাৎ যার সম্পর্কে পূর্বে বলা হয় অথবা দ্বিতীয় বার কোন ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে বলা হলে তার পূর্বে article “the”
বসে। যেমনঃ This is a nice picture. Give me the picture.ব্লগার ফেইসবুক এক্যাউন্ট
✬ Uncountable noun এর পূর্বে article হয় না। তবে noun ব্যবহারের সূত্র অনুযায়ী
uncountable noun এর পূর্বে the বসতে পারে।
✬ Cardinal number (1,2,3……..) পূর্বে article
বসে না। Cardinal number এর কথা বললে ক্যালেন্ডারের কথা মনে করুন। আর ক্যালেন্ডারে ১,২,৩…সংখ্যা হিসাবে তারিখ থাকে। ক্যালেন্ডারে তারিখের সংখ্যা আর Cardinal number সংখ্যার প্রকাশ একিই এবং এর পূর্বে article বসে না। যেমন one, two, three……. ইত্যাদি।
অপরপক্ষে first, second, third…. ইত্যাদি
ordinal number এবং ordinal number এর পূর্বে the বসে। যেমনঃ The first, the second, the third ইত্যাদি।

★নিন্মের কবিতার শব্দগুলোর আগে
article the বসে।
চন্দ্র, সূর্য, সাগর, মহাসাগর আর নদী,
পর্বতশ্রেণী, দ্বীপপুঞ্জ, উপসাগর থাকে যদি,
উত্তর,দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম মিলে এই পৃথিবী,
জাতি, সম্প্রদায়, ধর্মগ্রন্থ, পত্রিকায় লিখলেন কবি।
জাহাজ, তারিখ আর ভৌগলিক নাম-
এর আগে The এর ব্যবহার হয় সহজে জানলাম।
★এবার এসো আমরা ছন্দে ছন্দে the এর ব্যবহার শিখি
নদী,সাগর দ্বীপ পুঞ্জ
জাহাজাদি ঘিরি,পর্বত
চন্দ্র,সূর্য গ্রহ তারা,আরো যত বিশব ধারা
পৃথিবীতে একটি আছে যত
তার পূর্বে the বসবে নেই ভিন্নমত।☺

যেমনঃ the moon, the sun, the Red Sea, the Atlantic Ocean, the Padma, the Himalayas, the Persian Gulf, the north, the south, the east, the west, the earth, the Indians, the Muslims, the holy Quran, the Daily Star, the Amir, the 24th October
the U.S.A, the United Kingdom.

★★★ যেসব স্থানে Article বসে না –

★a/an অনির্দিষ্ট একটি মাত্র ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। তাই plural word
এর পূর্বে article a/an বসে না। শুধু মাত্র
singular এবং অনির্দিষ্ট ব্যক্তি/ বস্তুর ক্ষেত্রে a/an ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ a book, a pen, an apple ইত্যাদি।

★যেসব noun এর কোন plural form নেই বা যাদের সাথে s/es যুক্ত হয়ে plural হয় না সেসব word এর পূর্বেও article বসে না। নিন্মের কবিতার মাধ্যমে word গুলো মনে রাখুন ।নিন্মের word গুলোর পূর্বে কোন
article বসে না।
★“ভাষা( bangla, French etc), খাদ্য (bread, meat etc), গ্যাস (oxygen, hydrogen etc) আর রোগব্যধি (malaria, cancer, AIDS)
অদৃশ্য (information, advice), তরল বস্তু (tea, soup,oil), ক্ষুদ্র কনা( sand, rice, flour) থাকে যদি ,
পাঠ্য বিষয় (physics, history, chemistry),
প্রাকৃতিক বস্তু (sunshine, darkness),
খেলাধুলা (football, cricket,chess)
এসব বিষয় non count!

100টি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম।


০১। মানুষ — Homo sapiens
০২। গরু — Boss indica
০৩। ছাগল — Capra hircus
০৪। ইঁদুর — Bandicota benglalensis
০৫। বিড়াল — Felis catus
০৬। খরগোশ — Oryctolagus cuniculus
০৭। সিংহ — Panthera leo
০৮। রয়েল বেঙ্গল টাইগার — Panthera tigris
০৯। মশা — Culex pipiens
১০। মাছি — Musca domestica
১১। আরশোলা — Periplaneta americana
১২। টিকটিকি — Hemidactylus brookii
১৩। মৌমাছি — Apis indica
১৪। প্রজাপতি — Pieris brassicae
১৫। কুনোব্যাঙ — Bufo/­Duttaphrynus melanostictus
১৬। গোখরা সাপ — Naja naja
১৭। কচ্ছপ — Lessemys punctata
১৮। কুমির — Crocodylus niloticus
১৯। কলেরা জীবাণু — Vibrio cholera
২০। ম্যালেরিয়া জীবাণু—Plasomodium vivax
২১। ইলিশ — Tenualosa illisha
২২। রুই — Labeo rohita
২৩। কাতলা — Catla catla
২৪। কই — Anabas testudineus
২৫। টাকি — Channa punctatus
২৬। মহাশোল — Tor tor
২৭। বোয়াল — Wallago attu
২৮। বাগদা চিংড়ি — penaeus monodon
২৯। গলদা চিংড়ি — Macrobrachium rosenbergii
৩০। চিংড়ি — Macrobrachium malcolmsonii
৩১। দোয়েল — Copsychus saularis
৩২। কবুতর — Columba livia
৩৩। চড়ুই — Passer dometicus
৩৪। ময়ূর — Pavo cristatus
৩৫। শামুক — Pila globosa
৩৬। কেঁচো — Metaphira posthuma
৩৭। ঝিনুক — Lamellidens marginalis
৩৮। ফিতাকৃমি — Taenia solium
৩৯। গোলকৃমি — Ascaris lumbricoides
৪০। চোখ কৃমি — Loa loa
৪১। কাঁকড়া — Carcinus manius
# HOSSAIN
৪২। ধান — Oryza sativa
৪৩। গম — Triticum aestivum
৪৪। ভুট্টা — Zea mays
৪৫। গোল আলু — Solanum tuberosum
৪৬। পিঁয়াজ — Allium cepa
৪৭। আদা — Zingiber officinale
৪৮। রসুন — Allium sativum
৪৯। হলুদ — Curcuma domestica
৫০। মসুর — Lens culinaris
৫১। সরিষা — Brassica napus
৫২। ছোলা — Cicer arietinum
৫৩। মোটর — Pisum sativum
৫৪। শীম — Lablab purpurius
৫৫। খেসারী — Lathyrus sativus
৫৬। সয়াবিন — Glycine max
৫৭। তিল — Sesamum indicum
৫৮। মুলা — Raphanus sativus
৫৯। পুঁইশাক — Basella alba
৬০। শসা — Cucumis sativus
৬১। লাউ — Lagenaria vulgaris
৬২। বেগুন — Solanum melongena
৬৩। বাঁধাকপি — Brassica oleracea
৬৪। টমেটো — Lycopersicon esculentum
৬৫। তেজপাতা — Cinnamomum tamala
৬৬। আম — Mangifera indica
৬৭। জাম — Syzygium cumini
৬৮। কাঁঠাল — Artocarpus heterophyllus
৬৯। কলা — Musa sapientum
৭০। লিচু — Litchi chinensis
৭১। নারকেল — Cocos nucifera
৭২। আনারস — Ananas comosus
৭৩। পেয়ারা — Psidium guajava
৭৪। বেল — Aegle marmelos
৭৫। কুল/বরই — Zizyphus mauritiana
৭৬। পেঁপে — Carica papaya
৭৭। কফি — Coffea arabica
৭৮। চা — Camellia sinensis
৭৯। তামাক — Nicotiana tabacum
৮০। পাট — Corchorus capsularis
৮১। সেগুন — Tectona grandis
৮২। শাল/গজারি — Shorea robusta
৮৩। সুন্দরী — Heritiera fomes
৮৪। মেহগনি — Swietenia mahagoni
৮৫। শিশু — Dulbergia sissoo
৮৬। বাসক — Adhatoda vasica
৮৭। থানকুনি — Centella asiatica
৮৮। তুলসী — Ocimum sanctum
৮৯। চাপালিশ — Artocarpus chaplasha
৯০। কালমেঘ — Andrographis paniculata
৯১। নিম — Melia azadirachta
৯২। গাঁদা — Tagetes erecta
৯৩। জবা — Hibiscus rosa-sinensis
৯৪। পদ্মফুল — Nelumbo nucifera
৯৫। শাপলা — Nymphaea nouchali
৯৬। রঙ্গন — Ixora coccinea
৯৭। রজনীগন্ধা — Polianthes­ tuberosa
৯৮। গন্ধরাজ — Gardenia jasminodes
৯৯। সূর্যমুখী — Helianthus annuus
১০০। কৃষ্ণচূড়া — Delonix regia

Pronoun Reference.


Pro শব্দের অর্থ হল পরিবর্তে আর Noun মানে হল বা নাম । অর্থাৎ, যে word কোন Noun এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় তাকে Pronoun বলে ।
যেমন-
Nipu is a good student.
Naba goes to school everyday.
উপরের Sentence দুটির প্রথমটিতে subject হিসাবে Sumon বসেছে, যেটা Noun. কিন্তু দ্বিতীয় Sentence এ Sumon এর পরিবর্তে He বসেছে । এখানে He হল Pronoun.
Pronoun কে আট (০৮) ভাগে ভাগ করা যায় ।
1. Personal Pronoun
2. Interrogative Pronoun
3. Indefinite Pronoun
4. Distributive Pronoun
5. Demonstrative Pronoun
6. Relative Pronoun
7. Reciprocal Pronoun
8. Reflexive Pronoun
Pronoun Reference
1. Personal Pronoun
যেমন-
Mim is a bright student.
Alif goes to college regularly.
Tarek is a university student.
Enaf likes to read poems.
The dog is barking.
It is very ferocious.
উপরের sentence গুলিতে He, She, It এরা প্রত্যেকে হল Personal pronoun.যারা যথাক্রমে Rana, Soma, এবং The dog এর পরিবর্তে ব্যবহারিত হচ্ছে।
Personal pronoun গুলোর বিভিন্ন form যথা subjective form, objective form, possessive form নিচে দেয়া হল ।
subject=object=poss
I-me-my
He-him-his
She-her-hers
You-you-your
We-us-our
They-them-their
Rule 1: কোন জড় পদার্থ বা ধারনার পরিবর্তে it বসে ।
Example: Here is your pen; take it.
Rule 2: পুরুষ বা মহিলা হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না এ ধরনের প্রাণীর ক্ষেত্রে it বসে ।
Example: This is a dog. it is faithful animal.
Rule 3: ছোট শিশুর পরিবর্তে it বসে ।
Example: I have a child. It is fine.
Rule 4: পূবে উল্লিখিত কোন বিবৃতির পরিবর্তে it বসে ।
Example: Kabir Hossain told a story and he knew it goodly.
Rule 5: কোন Noun বা Pronoun কে জোর দিয়ে উল্লেখ করতে বা গুরুত্ব প্রদানের জন্য it বসে ।
Example: It is Shawan who is brother.
Rule 6: Impersonal verb এর subject হিসেবে it ব্যবহৃত হয় ।
Example: It is raining.
Ruse 7: সময় বা আবহাওয়া নির্দেশ করতে it ব্যবহৃত হয় ।
Example: It is 5 o'clock
It is winter season.
Rule 8: Verb 'to be' এর পরে real subject থাকলে এর পূর্বে Provisional subject হিসেবে it ব্যবহৃত হয় ।

প্রশ্ন-উৎপাদন কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি?


উত্তর- যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদকে তার রূপ পরিবর্তন করে ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তোলা হয় তাকে অর্থনীতিতে উৎপাদন বলে। 
উৎপাদনের উপকরণ ৪ টি। যথা- ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন। 

ভূমিঃ উৎপাদন কার্যে ব্যবহৃত সকল প্রাকৃতিক সম্পদকে ভূমি বলে। যেমন- ভূ-পৃষ্ট, পাহাড়, সূর্যের আলো। 

শ্রমঃ উৎপাদন কার্যে সহায়ক সকল প্রকার শারীরিক ও মানসিক প্রচেষ্টাকে শ্রম বলে। 

মূলধনঃ মানুষের শ্রমের দ্বারা যা উৎপাদিত হয়, তা যদি অধিকতর উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হয়। তাকে মূলধন বলে। 

সংগঠনঃ ভূমি, শ্রম, মূলধন এ ৩টি উপাদানকে একত্রিত করে উৎপাদনকার্য পরিচালনা করাকে সংগঠন বলে।

উচ্চমাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি" বইটি থেকে নির্বাচিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ


১) তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক - ডেটা
২) ডেটা শব্দের অর্থ - ফ্যাক্ট
৩) বিশেষ প্রেক্ষিতে ডেটাকে অর্থবহ করাই - ইনফরমেশন
৪) তথ্য=উপাত্ত+প্রেক্ষিত+অর্থ
৫) তথ্য বিতরণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের সাথে যুক্ত - তথ্য প্রযুক্তি
৬) ICT in Education Program প্রকাশ করে - UNESCO
৭) কম্পিউটারের ভেতর আছে - অসংখ্য বর্তনী
৮) তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উৎপাদন করে - কম্পিউটার
৯) কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে - ৪টি
১০) মনো এফএম ব্যান্ড চালু হয় - ১৯৪৬ সালে
১১) স্টেরিও এফএম ব্যান্ড চালু হয় - ১৯৬০ সালে
১২) সারাবিশ্বে এফএম ফ্রিকুয়েন্সি 87.5-108.0 Hz
১৩) Radio Communication System এ ব্রডকাস্টিং - ৩ ধরণের
১৪) PAL এর পূর্ণরূপ - Phase Alternation by Line
১৫) দেশে বেসরকারি চ্যানেল -৪১টি
১৬) পৃথিবীর বৃহত্তম নেটওয়ার্ক - ইন্টারনেট
১৭) ইন্টারনেট চালু হয় - ARPANET দিয়ে (১৯৬৯)
১৮) ARPANET চালু করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ
১৯) ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয় - ১৯৮২ সালে
২০) ARPANETএ TCP/IP চালু হয় - ১৯৮৩ সালে
২১) NSFNET প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮৬ সালে
২২) ARPANET বন্ধ হয় - ১৯৯০ সালে
২৩) সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত হয় - ১৯৮৯ সালে
২৪) ISOC প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৯২ সালে
২৫) বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৫কোটি ২২লাখ (৩২%)
২৬) ইন্টারনেটের পরীক্ষামূলক পর্যায় ১৯৬৯-১৯৮৩
২৭) টিভি - একমূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা
২৮) "Global Village" ও "The Medium is the Message" এর উদ্ভাবক - মার্শাল ম্যাকলুহান (১৯১১-১৯৮০)
২৯) The Gutenberg : The Making Typographic Man প্রকাশিত হয় - ১৯৬২ সালে
৩০) Understanding Media প্রকাশিত হয় - ১৯৬৪ সালে
৩১) বিশ্বগ্রামের মূলভিত্তি - নিরাপদ তথ্য আদান প্রদান
৩২) বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড - কানেকটিভিটি
৩৩) কম্পিউটার দিয়ে গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তগ্রহণমূলক কাজ করা যায়
৩৪) বর্তমান বিশ্বের জ্ঞানের প্রধান ভান্ডার - ওয়েবসাইট
৩৫) EHRএর পূর্ণরুপ - Electronic Heath Records
৩৬) অফিসের সার্বিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করাকে বলে - অফিস অটোমেশন
৩৭) IT+Entertainment = Xbox
৩৮) IT+Telecommunication = iPod
৩৯) IT+Consumer Electronics= Vaio
৪০) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে - ৫ম প্রজন্মের কম্পিউটারে
৪১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করা হয় - প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
৪২।রোবটের উপাদান- Power System, Actuator, Sensor, Manipulation
৪৩।PCB এর পূর্ণরূপ - Printed Circuit Board
৪৪।খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ সালে ত্বকের চিকিৎসায় শীতল তাপমাত্রা ব্যবহার করতো - মিশরীয়রা
৪৫।নেপোলিয়নের চিকিৎসক ছিলেন - ডমিনিক জ্যা ল্যারি
৪৬।মহাশূন্যে প্রেরিত প্রথম উপগ্রহ - স্পুটনিক-১
৪৭।চাঁদে প্রথম মানুষ পৌঁছে - ২০জুলাই, ১৯৬৯ সালে
৪৮।MRP এর পূর্ণরুপ - Manufacturing Resource Planning
৪৯।UAV উড়তে সক্ষম ১০০ কি.মি. পর্যন্ত
৫০।GPS এর পূর্ণরুপ - Global Positioning System
৫১।ব্যক্তি সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয় - বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
৫২।হ্যান্ড জিওমেট্রি রিডার পরিমাপ করতে পারে - ৩১০০০+ পয়েন্ট
৫৩।আইরিস সনাক্তকরণ পদ্ধতিতে সময় লাগে - ১০-১৫ সেকেন্ড
৫৪।Bioinformatics শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন - Paulien Hogeweg
৫৫।Bioinformatics এর জনক - Margaret Oakley Dayhaff
৫৬।এক সেট পূর্নাঙ্গ জীনকে বলা হয় - জিনোম
৫৭।Genetic Engineering শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন - Jack Williamson l
৫৮। রিকম্বিনান্ট ডিএনএ তৈরি করেন - Paul Berg(1972)
৫৯।বিশ্বের প্রথম ট্রান্সজেনিক প্রাণি- ইঁদুর(1974)
৬০।বিশ্বের প্রথম Genetic Engineering Company - Genetech(1976)
৬১।GMO এর পূর্ণরুপ - Genetically Modified Organism
৬২।পারমানবিক বা আনবিক মাত্রার কার্যক্ষম কৌশল - ন্যানোটেকনোলজি
৬৩।অনুর গঠন দেখা যায় - স্ক্যানিং টানেলিং মাইক্রোস্কোপে
৬৪।Computer Ethics Institute এর নির্দেশনা - ১০টি
৬৫।ব্রেইল ছাড়া অন্ধদের পড়ার পদ্ধতি - Screen Magnification / Screen Reading Software
৬৬।যোগাযোগ প্রক্রিয়ার মৌলিক উপাদান - ৫টি
৬৭।ট্রান্সমিশন স্পিডকে বলা হয় - Bandwidth
৬৮।Bandwidth মাপা হয় - bps এ
৬৯।ন্যারো ব্যান্ডের গতি 45-300 bps
৭০।ভয়েস ব্যান্ডের গতি 9600 bps
৭১।ব্রডব্যান্ডের গতি- 1 Mbps
৭২।ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশন- এসিনক্রোনাস
৭৩।সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে প্রতি ব্লকে ক্যারেক্টার ৮০-১৩২টি
৭৪।ডাটা ট্রান্সমিশন মোড- ৩ প্রকার
৭৫।একদিকে ডাটা প্রেরণ- সিমপ্লেক্স মোড
৭৬।উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ, তবে এক সাথে নয়- হাফ ডুপ্লেক্স মোড
৭৭।একই সাথে উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ - ফুল ডুপ্লেক্স মোড
৭৮।ক্যাবল তৈরি হয়- পরাবৈদ্যুতিক(Dielectric) পদার্থ দ্বারা
৭৯।Co-axial Cable এ গতি 200 Mbps পর্যন্ত
৮০।Twisted Pair Cable এ তার থাকে- 4 জোড়া
৮১।Fiber Optic- Light signal ট্রান্সমিট করে
৮২।মাইক্রোওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 300 MHz - 30 GHz
৮৩।কৃত্রিম উপগ্রহের উদ্ভব ঘটে- ১৯৫০ এর দশকে
৮৪।Geosynchronous Satellite স্থাপিত হয়- ১৯৬০ এর দশকে
৮৫।কৃত্রিম উপগ্রহ থাকে ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৩৬০০০ কি.মি. উর্ধ্বে
৮৬।Bluetooth এর রেঞ্জ 10 -100 Meter
৮৭।Wi-fi এর পূর্ণরুপ- Wireless Fidelity
৮৮।Wi-fi এর গতি- 54 Mbps
৮৯।WiMax শব্দটি চালু হয়- ২০০১ সালে
৯০।WiMax এর পূর্ণরুপ- Worlwide Interoperabilty for Microwave Access
৯১।৪র্থ প্রজন্মের প্রযুক্তি- WiMax
৯২।WiMax এর গতি- 75 Mbps
৯৩।FDMA = Frequency Division Multiple Access
৯৪।CDMA = Code Division Multiple Access
৯৫।মোবাইলের মূল অংশ- ৩টি
৯৬।SIM = Subscriber Identity Module
৯৭।GSM = Global System for Mobile Communication
৯৮।GSM প্রথম নামকরণ করা হয়- ১৯৮২ সালে
৯৯।GSM এর চ্যানেল- ১২৪টি (প্রতিটি 200 KHz)
১০০।GSM এ ব্যবহৃত ফ্রিকুয়েন্সি- 4 ধরনের
১০১.GSM ব্যবহৃত হয় ২১৮টি দেশে
১০২.GSM 3G এর জন্য প্রযোজ্য
১০৩.GSM এ বিদ্যুৎ খরচ গড়ে ২ওয়াট
১০৪.CDMA আবিষ্কার করে Qualcom(১৯৯৫)
১০৫.রেডিও ওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 10 KHz-1GH

ণ-ত্ব বিধান কাকে বলে? ণ-ত্ব বিধান এর ৫ টি নিয়ম লেখ।


উত্তর : 
বাংলা ভাষায় মূর্ধন্য-ণ এর ব্যবহারের নিয়মসমূহকে 
ণ-ত্ব বিধান বলা হয়। 

নিয়মসমূহ:- 

১। ঋ, র, ষ বর্ণের পরে দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন- ঋণ, বর্ণ, বিষ্ণু, বরণ, ঘৃণা।

২। যদি ঋ, র, ষ বর্ণের পরে স্বরবর্ণ, ক-বর্গ, প-বর্গ, য, ব, হ অথবা অনুস্বার (ং) থাকে, তার পরবর্তী দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ হয়ে যায়। যেমন- কৃপণ, নির্বাণ, গ্রহণ।

৩। ট-বর্গের পূর্বের দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন- বণ্টন, লুণ্ঠন, খণ্ড।

৪। প্র, পরা, পরি, নির্‌- উপসর্গের এবং ‘অন্তর’ শব্দের পরে নদ্‌, নম্‌, নশ্‌, নহ্‌, নী, নুদ্‌, অন্‌, হন্‌- কয়েকটি ধাতুর দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ নয়। যেমন- প্রণাম, পরিণাম, প্রণাশ, পরিণতি, নির্ণয় ইত্যাদি।

৫। কতগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন- কণা, গৌণ, নিপুণ, বাণিজ্য ইত্যাদি।

এভাবে প্রতিদিন সিলেবাসের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে জানার জন্যে পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

Sunday, 3 May 2020

জে এস সি গনিত ২০২০। প্রথম অধ্যায়ঃ প্যাটার্ন সৃজনশীল প্রশ্ন।


প্রশ্নঃ১। ৪, ৭, ১০, ১৩, . . . . . . . . . . . . একটি সংখ্যা প্যাটার্ণ।
(ক) ৩২৫ কে তিনটি ভিন্ন উপায়ে দুইটি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) তালিকাটির বীজগণিতীয় রাশি নির্ণয় কর।
(গ) তালিকাটির ১ম পদ বাদে অবশিষ্ট পদ নিয়ে গঠিত প্যাটার্ণের ১ম ১০টি পদের সমষ্টি বের কর
প্রশ্নঃ২। ১, ৪, ৯, ১৬, ২৫,  . . . . . . . . . . একটি সংখ্যা প্যাটার্ণ।
(ক) স্বাভাবিক ক্রমিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের সূত্রটি লেখ।
(খ) তালিকার পরবর্তী তিনটি সংখ্যা নির্ণয় কর।
(গ) প্রথম থেকে ২০তম পার্থক্য পর্যন্ত পার্থক্যগুলোর সমষ্টি বের কর।
প্রশ্নঃ৩। ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, . . . . . . . . . একটি প্যাটার্ন এবং ২ক +১ একটি বীজগণিতীয় রাশি।
(ক) ফিবোনাক্কি সংখ্যা কী? ব্যাখ্যা কর।
(খ) সংখ্যা প্যাটার্নটির পরবর্তী চারটি পদের মান নির্ণয় কর।
(গ) বীজগণিতীয় রাশিটির প্রথম ৫০টি পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ৪। ৫, ১৩, ২৪, ৩৮, ৫৫, . . . . . . . . . . একটি সংখ্যা প্যাটার্ন।
(ক) যেকোনো একটি কৌশলে ৪ ক্রমের একটি ম্যাজিক বর্গ গঠণ কর।
(খ) তালিকার পরবর্তী চারটি পদ নির্ণয় করে তাদের যোগফল বের কর
(গ) তালিকার সংখ্যাগুলোর পার্থক্য যে প্যাটার্ন তৈরি করে তার যেকোনো পদ নির্ণয় করার একটি সাধারণ সূত্র তৈরি কর এবং প্রথম ৫০টি পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ৫। ৭, ১৬, ২৫, ৩৪, ৪৩, . . . . . . .  . . . . একটি সংখ্যা প্যাটার্ন।
(ক) তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যাকে দুইটি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) তালিকার সাধারণ অন্তর এবং পরবর্তী তিনটি সংখ্যা নির্ণয় কর।
(গ) তালিকার ৪৫তম পদ এবং ১ম ৪৫টি পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ৬। ৫, ১৩, ২১, ২৯, ৩৭, . . . . . . . . . . . . . . .
(ক) ২৯ এবং ৩৭ কে দু’টি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) তালিকার পরবর্তী ৪টি সংখ্যা নির্ণয় কর।
(গ) তালিকার প্রথম ৫০টি সংখ্যার সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশঃ৭। ৭, ১১, ১৫, ১৯, ২৩, ২৭, . . . . . . . . . . . একটি সংখ্যা প্যাটার্ন।
(ক) ৪০ কে দুইটি বর্গের অন্তর এবং ১০০ কে দুইটি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) উদ্দীপকে প্রদত্ত সংখ্যাগুলো কোন নিয়মে প্যাটার্নভূক্ত হলো তা দেখাও এবং যেকোনো পদ নির্ণয়ের সূত্র ‌’ক’ চলকের সাহায্যে প্রকাশ কর।
(গ) প্যাটার্নটির প্রথম ২৫টি পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ৮। (৫ক+৭) একটি বীজগাণিতিক রাশি, যেখানে ‘ক’ একটি স্বাভাবিক সংখ্যা।
(ক) রাশিটির ১ম ও ২য় পদ নির্ণয় কর।
(খ) উদ্দীপকের আলোকে ১ম তিনটি পদের জ্যামিতিক প্যাটার্ন অঙ্কন করে মোট রেখাংশের সংখ্যা নির্ণয় কর।
(গ) রাশিটির প্রথম পঞ্চাশটি পদের সমষ্টি সূত্রের সাহায্যে নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ৯। ৩ক+১ কোনো সংখ্যা তালিকার বীজগণিতীয় রাশি।
(ক) ৩২৫ কে দুইটি ভিন্ন উপায়ে দুইটি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) উদ্দীপকের আলোকে ৩য় ও ৪র্থ পদের জ্যামিতিক প্যাটার্ন অঙ্কন কর এবং অঙ্কনের সত্যতা যাচাই কর।
(গ) রাশিটির প্রথম ১০০ পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ১০। (৫ক +২) একটি বীজগণিতীয় রাশি।
(ক) রাশিটির ১ম ও ২য় পদ কত?
(খ) উদ্দীপকের আলোকে ৩য় ও ৪র্থ পদের জ্যামিতিক প্যাটার্ন অঙ্কন কর এবং অঙ্কনের সত্যতা যাচাই কর।
(গ) রাশিটির প্রথম ১০০ পদের সমষ্টি নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ১১। দিয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়ে নিচের ত্রিভূজগুলোর প্যাটার্ন তৈরি করা হয়েছে।
(ক) চতুর্থ চিত্রের দিয়াশলাইয়ের কাঠির সংখ্যা নির্ণয় কর।
(খ) প্যাটার্নটির পরবর্তী সংখ্যাটি কীভাবে বের করবে তা ব্যাখ্যা কর।
(গ) শততম প্যাটার্ন তৈরিতে কতগুললোর কাঠির প্রয়োজন হবে নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ১২। সমান দৈর্ঘের কাঠির সাহায্যে নিচের জ্যামিতিক প্যাটার্নগুলো তৈরি করা হয়েছে।
(ক) উদ্দীপকের আলোকে পঞ্চম চিত্রটি তৈরি কর এবং কাঠির সংখ্যা নির্ণয় কর।
(খ) উদ্দীপকের আলোকে একটি বীজগণিতীয় রাশি নির্ণয় কর এবং ৫০তম প্যাটার্ন তৈরিতে কতগুলো কাঠি প্রয়োজন তা নির্ণয় কর।
(গ) প্রথম ১০০টি চিত্র তৈরি করতে মোট কতগুলো কাঠি প্রয়োজন হবে তা নির্ণয় কর।
প্রশ্নঃ১৩। নিচের জ্যামিতিক চিত্রগুলো কাঠি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
(ক) কাঠির সংখ্যার তালিকা তৈরি কর।
(খ) তালিকার পরবর্তী সংখ্যাটি কীভাবে বের করবে তা ব্যাখ্যা কর।
(গ) কাঠি দিয়ে পরবর্তী চিত্রটি তৈরি কর এবং তোমার যাচাই কর।
প্রশ্নঃ১৪। নিচের চিত্রগুলো দিয়াশলাইয়ের কাঠি দ্বারা গঠিত।
(ক) ৪১ ও ৫৮ কে দু’টি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ কর।
(খ) প্যাটার্নের চতুর্থ চিত্রটি তৈরি করে প্যাটার্নটি কোন বীজগণিতীয় রাশিকে সমর্থন করে তা যুক্তিসহ উপস্থাপন কর।
(গ) প্যাটার্নের ৬০ নম্বর চিত্রটি  তৈরি করতে কতগুলো কাঠির প্রয়োজন হবে এবং প্রথম ৬০টি চিত্র তৈরি করতে মোট কতটি কাঠি প্রয়োজন হবে নির্ণয় কর।

জে এস সি বিজ্ঞান।। দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি।


সংক্ষিপ্ত প্রশ্নঃ ১। কোষ কী? উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় জীবকোষের বিভক্তির মাধ্যমে ১ থেকে ২ কোষে পরিণত হওয়াকে কোষ বলে। ২। মাইটোসিস কী? উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস একবার বিভাজিত হয়ে সমআকৃতির, সমগুণসম্পন্ন ও সমসংখ্যক ক্রমোজমবিশিষ্ট দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে তাকে মাইটোসিস বলে। ৩। মিয়োসিস কী? উত্তর : যে কোষ বিভাজনে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসটি পর পর দুবার বিভাজিত হলে ক্রমোজমের বিভাজন ঘটে মাত্র একবার। ফলে অপত্য কোষে ক্রমোজমের সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়, তাকে মিয়োসিস বলে। ৪। ক্যারিওকাইনেসিস কী? উত্তর : নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস বলে। ৫। সাইটোকাইনেসিস কী? উত্তর : সাইটোপ্লাজমের বিভাজনকে সাইটোকাইনেসিস বলে। ৬। ইন্টারফেজ কী? উত্তর : ক্যারিওকাইনেসিস ও সাইটোকাইনেসিস শুরু হওয়ার আগে কোষটির নিউক্লিয়াসকে কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ করতে হয়। কোষটির এ অবস্থানকে ইন্টারফেজ বলে। ৭। হ্যাপ্লয়েড কী? উত্তর : এক প্রস্থ ক্রমোজমকে হ্যাপ্লয়েড (n) বলে। ৮। ডিপ্লয়েড কী? উত্তর : দুই প্রস্থ ক্রমোজমকে ডিপ্লয়েড (2n) বলে। ৯। বংশগতি কী? উত্তর : মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য যে প্রক্রিয়ায় সন্তান-সন্ততিতে সঞ্চারিত হয় তাকে বংশগতি বলে। ১০। ক্রমোজম কী? উত্তর : নিউক্লিয়াসে অবস্থিত নির্দিষ্টসংখ্যক সুতার মতো যে অংশগুলো জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বহন করে তাদের ক্রমোজম বলে। ১১। ক্রোমাটিড কী? উত্তর : প্রতিটি ক্রমোজম লম্বালম্বিভাবে বিভক্ত হওয়ার পর যে দুটি সমান আকৃতির সুতার মতো অংশ গঠন করে তাদের প্রত্যেকটিকে ক্রোমাটিড বলে। ১২। সেন্ট্রোমিয়ার কী? উত্তর : ক্রোমাটিড দুটি যে নির্দিষ্ট স্থানে পরস্পর যুক্ত থাকে তাকে সেন্ট্রোমিয়ার বলে। ১৩। DNA-এর পূর্ণরূপ কী? উত্তর : ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড। ১৪। RAN-এর পূর্ণরূপ কী? উত্তর : রাইবো নিউক্লিক এসিড। ১৫। জিন কী? উত্তর : জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী একককে জিন বলে।